ইয়াবায় জড়িত পুলিশ কর্মকর্তা উপেক্ষিত উচ্চ আদালতের নির্দেশ

প্রকাশ : ২৯ আগস্ট ২০১৮, ০০:০০

চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রাম নগর পুলিশের বাকলিয়া থানার এসআই খন্দকার সাইফুদ্দিনের বাসা থেকে উদ্ধার হয়েছিল ১৪ হাজার ১০০টি ইয়াবা। এ ঘটনায় মামলা দায়ের হলে জামিন চাইতে উচ্চ আদালতে যান এই পুলিশ কর্মকর্তা। তবে আদালত তাকে জামিন না দিয়ে ১০ দিনের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দেয়। আদালত সূত্র জানায়, গত ১৪ আগস্ট উচ্চ আদালতের বিচারপতি মো. ফারুক ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের যৌথ বেঞ্চ এসআই সাইফুদ্দিনকে নির্দেশ দেয়, আদেশের দিন থেকে ১০ দিনের মধ্যে নি¤œ আদালতে আত্মসমর্পণ করতে। সে হিসেবে ২৩ আগস্ট ছিল শেষ দিন। কিন্তু তিনি মঙ্গলবার পর্যন্ত আদালতে হাজির হননি।

চট্টগ্রাম মহানগর পিপি ফখরুদ্দিন চৌধুরী বলেন, ১৪ আগস্ট থেকে ১০ দিনের মধ্যে তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ না করলে নিয়ম অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হবে।

এর আগে গত ৩০ জুলাই দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে নগরীর পশ্চিম বাকলিয়ার হাফেজ নগর এলাকার হাজী গোফরান উদ্দিন মুন্সী বাড়ি থেকে ১৪ হাজার ১০০টি ইয়াবা ও পুলিশের পোশাক-সরঞ্জাম উদ্ধার করে র‌্যাবের একটি দল। এ সময় নাজিম উদ্দিন মিল্লাত নামে একজন ওই বাসা থেকে গ্রেফতার হন। পরে র‌্যাব জানায়, বাসাটি বাকলিয়া থানার এসআই খন্দকার সাইফুদ্দিনের। ঘটনার পর এসআই সাইফুদ্দিন থানায় থাকলেও দুপুরে অসুস্থ হওয়ায় তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল বলে সে সময় জানিয়েছিলেন বাকলিয়া থানার ওসি প্রণব চৌধুরী। পরে সেখান থেকে পালিয়ে যান এই পুলিশ কর্মকর্তা। এরপর ৩১ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ ঘটনায় বাকলিয়া থানায় মামলা হয়; যাতে গ্রেফতার মিল্লাতের পাশাপাশি এসআই সাইফুদ্দিনকেও আসামি করা হয়। একই দিন রাতে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করার পাশাপাশি ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠনের কথা জানান চট্টগ্রামের পুলিশ কমিশনার মো. মাহাবুুবুর রহমান। এখনো অধরা থেকে গেছে এসআই খন্দকার সাইফুদ্দিন।

"