শাহ আমানতে ৪৮টি সোনার বার উদ্ধার : আটক ৬

প্রকাশ : ১১ মার্চ ২০১৮, ০০:০০

চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ বিমানের এক যাত্রী ও উড়োজাহাজের আসনের নিচ থেকে ৪৮টি সোনার বার উদ্ধার করেছে শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ। গতকাল শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিমানের বিজি-১৩৬ ফ্লাইট থেকে এসব সোনা জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

জব্দ করা ৪৮টি সোনার বারের ওজন পাঁচ কেজি ৫৯৮ গ্রাম, যার আনুমানিক বাজারমূল্য আড়াই কোটি টাকা। তবে আটকদের নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি বিমানবন্দরে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা।

জানা গেছে, বাংলাদেশ বিমানের পক্ষ থেকেই ফ্লাইটটিতে সোনা থাকার বিষয়টি বিমানবন্দরের দায়িত্বরত কর্মকর্তাদেরকে জানানো হয়। এরপর নিরাপত্তা কর্মকর্তা এবং শুল্ক গোয়েন্দারা সেই ফ্লাইটটিতে গিয়ে সব যাত্রীকে নামিয়ে আনেন। যাত্রীদের মধ্যে জেদ্দা থেকে চট্টগ্রামে আসা একজনের শরীর তল্লাশি করে ১০টি সোনার বার পাওয়া যায়। এ ছাড়া বিমানের একটি আসনের নিচে ও সিট কাভারের ভেতরে বাকি বার পাওয়া যায়।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক উইং কমান্ডার সারোয়ার-ই-জাহান জানান, চট্টগ্রামে একজন যাত্রীর নেমে যাওয়ার কথা ছিল, আমাদের ধারণা তিনিই মূল বাহক। তিনি চট্টগ্রামে নেমে যাওয়ার পর অন্য যে যাত্রী বিমানে ওঠেন বারগুলো ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব ছিল তার। মূলত চট্টগ্রামে তাদের একজন অন্যজনকে বারগুলো হস্তান্তর করার দায়িত্ব ছিল। আটক বাকি চারজন সন্দেহভাজন। তাদের বিষয়ে শুল্ক গোয়েন্দা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে।

শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের উপপরিচালক আরিফুল ইসলাম জানান, জেদ্দা থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের বিজি-১৩৬ ফ্লাইটের আসনের নিচ থেকে এবং এক যাত্রীর কাছ থেকে মোট ৪৮টি সোনার বার জব্দ করা হয়। তল্লাশি শেষে নির্ধারিত সময়ের দুই ঘণ্টা পর সোয়া ৩টার দিকে ফ্লাইটটি ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পতেঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গাজি ফৌজুল আজিম বলেন, বিমানবন্দরে সোনার বার উদ্ধারের ঘটনায় থানায় মামলা রেকর্ড হয়নি। আটক হওয়া কাউকে থানায় হস্তান্তর করা হয়নি। কাস্টমসের কাজ শেষে রাতের দিকে মামলা রেকর্ড হতে পারে।

"