শীতে উষ্ণ পানীয়

প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০

শীত মৌসুমেও ওজন বৃদ্ধি পাওয়া খুব স্বাভাবিক একটি ব্যাপার। কারণ প্রথমত বাঙালি ভোজনরসিক, দ্বিতীয়ত এ সময়ে দেহের পরিপাকতন্ত্র অলস হয়ে পড়ে। যে কারণে ধীরগতিতে সম্পাদিত হয় হজমক্রিয়া। সেসঙ্গে দেখা দেয় জ্বর, সর্দি, কাশিসহ ঋতু পরিবর্তনের নানা উপসর্গ। তাই কোনো ওষুধ ছাড়াই এসব থেকে রেহাই পেতে পারেন প্রাচীনকাল থেকেই প্রচলিত কিছু উষ্ণ পানীয় দ্বারা। আজ থাকছে সেসব আরোগ্যকর কিছু পানীয়। রন্ধনশিল্পী তানজিন তিপিয়া

দারচিনির পানি

উপকরণ : তেজপাতা ৩টি, দারচিনির গুঁড়ো ১ চা চামচ অথবা গোটা ৬ টুকরো, পানি ৩ মগ।

প্রণালি : সব উপকরণ একত্রে ১০মি. ফুটিয়ে নিন। দিনে অন্তত ২বার পান করুন। প্রথমবার সকালে খালি পেটে অর্ধেকটা দুপুরে খাবারের ২০ মি. আগে। অবশ্যই হালকা গরম অবস্থায় পান করবেন।

বি:দ্র: সর্দি কাশি হতে রক্ষা ও ওজন কমাতে সাহায্য করে।

আদার পানি

উপকরণ : আদা গ্রেট করা ১ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়ো ১/২ চা চামচ, লেবুর রস একটির অর্ধেক, পানি ১ গ্লাস।

প্রণালি : পানিতে আদা ও হলুদ মিশিয়ে সারা রাত রেখে সকালে ফুটিয়ে নিন। লেবুর রস দিয়ে হালকা গরম অবস্থায় সকালে খালি পেটে পান করুন।

বি:দ্র: সর্দি কাশি দূর করে, হজম ক্রিয়ায় সাহায্য করে, ওজন কমায় ও ত্বক সুন্দর রাখে।

পুদিনার পানি

উপকরণ : পুদিনা ছোট ১ বান্ডিল, পানি আধা লিটার।

প্রণালি : উপকরণ দুটি একত্রে ৩মি. ফুটিয়ে নিন। দিনের যেকোনো সময় পান করুন হালকা গরম অবস্থায়।

বি: দ্র: এজমা রোগের মহৌষধ, এলার্জি নিরাময়, পরিপাকে সাহায্য করে, ওজন কমায়, স্মৃতি শক্তি বাড়ায়, ক্যানসার ও নিউসিয়া হতে রক্ষা করে, মাথা ব্যথা দূর করে,বমি বমি ভাব কমায়, দাঁত, ত্বক ও চুল সুস্থ রাখে।

তবে গর্ভবতী মায়েদের সেবন

না করাই শ্রেয়।

মধুর পানি

উপকরণ : মধু ১ চা চামচ, কুসুম হালকা গরম পানি ১ গ্লাস।

প্রণালি : পানিতে মধু মিশিয়ে খালি পেটে পান করুন। হাদিসে বর্ণিত আছে- নবী করিম (সা.) রোজ সকালে খালি পেটে মধুর এই পানীয় পান করতেন।

বি: দ্র: দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, সর্দি কাশি দূর করে, পরিপাকে সাহায্য করে, পাকস্থলির আলসার, জ্বালাপোড়া নিরাময়, টক্সিন বের করে দেওয়া মোট কথা পাকস্থলী সংক্রান্ত যে কোনো সমস্যা দূর করার ক্ষমতা রাখে। হৃদপি- সুস্থ রাখে, ওজন কমায়, ত্বক সুন্দর ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। গর্ভবতী মায়েরাও প্রতিদিন পান করতে পারেন।

"