মুখোমুখি

দুই দিনে একটি সিঙ্গেল নাটক করা কঠিন : তৌসিফ মাহবুব

প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০১৭, ০০:০০

অনলাইন ডেস্ক

২০১৩ সালে আদনান আল রাজিবের ‘অল টাইম দৌড়ের উপর’ নাটকে প্রথম অভিনয় করেন তৌসিফ মাহবুব। প্রথম কাজ দিয়েই দর্শক মনে জায়গা করে নেন তরুণ এ অভিনেতা। নাটক, বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি কাজ করছেন শর্টফিল্ম আর টেলিফিল্মেও। এরই মধ্যে ‘অজান্তে ভালোবাসা’ নামের একটি নাটকে অভিনয় করেন তৌসিফ। নাটকটির সেটে তার সঙ্গে কথা হয়। সেসব কথা তুলে ধরেছেন তুহিন খান নিহাল।

 

‘অজান্তে ভালোবাসা’ নাটকটিতে আপনার চরিত্র?

এই নাটকে কুকুরকে আমি অনেক ভয় পাই, সঙ্গে কুকুরের মালিককেও। একপর্যায়ে কুকুরের মালিকের সঙ্গে আমার ঝগড়া হয়। এই ঝগড়া থেকেই ফ্রেন্ডশিপ। তবে শেষ পর্যন্ত তাকে প্রপোজ করতে পারি কি পারি না, তা দেখতে নাটকটি দেখতে হবে।

এই নাটকে আপনার সহশিল্পী কারা?

নাদিয়া, এলেন শুভ্র, জ্যাকিসহ আরো অনেকে। সবাই চেষ্টা করেছি ভালো একটি নাটক দর্শকদের উপহার দিতে। এ নাটককে প্রায় আড়াই বছর পর আমার এক সময়কার বেস্ট ফ্রেন্ড এলেন শুভ্রর সঙ্গে কাজ হচ্ছে। অন্যদিকে নির্মাতা বাপ্পীর এটা প্রথম কাজ।

বর্তমান ব্যস্ততা?

ব্যস্ততা শুধু নাটক নিয়েই। এর মধ্যে যোগ হয়েছে ঈদের কাজ। সম্প্রতি ভিকি জাহেদের পরিচালনায় ‘আলো’ নামের একটি শর্টফিল্ম করলাম, গতকাল এটি ইউটিউবে মুক্তি পেয়েছে। আর সিঙ্গেল নাটক তো আছেই।

নাটকের শুরুর দিকে আপনার চ্যালেঞ্জ কী ছিল?

২০১৩ সালের জুনে আমি অনেককে একটি কথা বলেছিলাম, পাঁচ বছরের মধ্যে আমাদের মা-ভাবিদের স্টার জলসা থেকে ফেরাতে না পারলেও ইয়ং জেনারেশনকে টিভি তথা নাটকের পর্দায় ফেরাতে পারব। এখন আমি গর্ব করে বলতে পারি, ইয়ং জেনারেশনের প্রত্যেক পাঁচজনের চারজনই এখন বাংলা নাটক দেখে। গর্বের বিষয় গত ১৯ জুলাই প্রথম আলো এই জরিপ তৈরি করে। আর পাঁচজনের চারজন বলতে প্রায় ৮০ শতাংশকে বোঝায়। তো সেদিক থেকে বলতে পারি আমরা সফল।

এই সিদ্ধান্ত গ্রহণে কতটুকু বাধা এসেছিল এবং পাশে ছিল কারা?

তখন আমাকে অনেকেই বলেছে নাটক কেন করছো! বাংলাদেশের মানুষ তো এখন স্টার জলসা দেখে। আমি অনেকের সঙ্গে ঝগড়া করে বলেছিলাম জেনারেশন তৈরি হবে এবং এখন তৈরি হয়েছে। তারা সবাই নাটক দেখে। প্রথম আমার সঙ্গে সিয়াম, জোভান, এলেন শুভ্র এরপর সালমান যোগ দেয় এবং আমাদের মেয়েদেরও অনেক অবদান ছিল।

এমন ব্যস্ততার মাঝে চরিত্রের জন্য আলাদা প্রস্তুটির সুযোগ কতটুকু থাকে?

সময়ের কারণে চরিত্র সাজানোর সুযোগ কম পাচ্ছি।

স্বল্পদৈর্ঘ্যরে প্রতি আগ্রহটা কেমন?

আগ্রহটা ভালো ছিল। কারণ আমি প্রথমে স্বল্পদৈর্ঘ্যে অভিনয় করেছি। বলতে গেলে আমি স্বল্পদৈর্ঘ্যে সার্থক।

বড় পর্দা নিয়ে ভাবনা?

সুযোগ ফেলে অবশ্যই করব। সুযোগ পাচ্ছি না, তাও নয়। তবে যেগুলো পাচ্ছি, তা না করাই ভালো।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা?

বলতে পারি না পাঁচ বছর পর কী হব। তবে পরিকল্পনার কথা যদি বলি তবে তিন দিনের আগে সিঙ্গেল নাটক করব না! আর আমাদের দেশের পরিস্থিতিতে দুই দিনে একটি সিঙ্গেল নাটক করা কঠিন! যার মান একদমই থাকে না।

"