বর্ষার আরামদায়ক পোশাক

প্রকাশ : ১৪ জুলাই ২০১৭, ০০:০০

জীবনযাপন ডেস্ক

রোদ-বৃষ্টির এই দিনে পোশাক ধরে রাখা খুবই কঠিন। কারণ বলা নেই কওয়া নেই, যখন-তখন নামছে বৃষ্টি। এ অবস্থায় সাধের পোশাকটিরও দফারফা। বৃষ্টির পানিতে পোশাক নষ্ট হওয়া আর সারা বছর সেই দাগ তুলতে নাজেহাল হওয়া হলো বর্ষার বোনাস। তবে প্রতিটি বর্ষাতেই পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমাদের সবাই যতœশীল হওয়া দরকার। সেটা সস্তা-দামি সব ধরনের পোশাকের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। এই সময় নিভে আসা সূর্যের রোদ আর সেই অধিক আর্দ্রতার উৎপাতে জামা-কাপড় শুকানো হলো সবচেয়ে যন্ত্রণাদায়ক। তাই লিনেনের পোশাককে এই সময় না চাইলেও গুডবাই বলাই উত্তম।

 

রোদ-বৃষ্টির এই দিনে পোশাক ধরে রাখা খুবই কঠিন। কারণ বলা নেই কওয়া নেই, যখন-তখন নামছে বৃষ্টি। এ অবস্থায় সাধের পোশাকটিরও দফারফা। বৃষ্টির পানিতে পোশাক নষ্ট হওয়া আর সারা বছর সেই দাগ তুলতে নাজেহাল হওয়া হলো বর্ষার বোনাস। তবে প্রতিটি বর্ষাতেই পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমাদের সবাই যতœশীল হওয়া দরকার। সেটা সস্তা-দামি সব ধরনের পোশাকের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। এই সময় নিভে আসা সূর্যের রোদ আর সেই অধিক আর্দ্রতার উৎপাতে জামা-কাপড় শুকানো হলো সবচেয়ে যন্ত্রণাদায়ক। তাই লিনেনের পোশাককে এই সময় না চাইলেও গুডবাই বলাই উত্তম। সাদা পালাজ্জো আর সাদা কুর্তার সঙ্গে ব্রেকআপটাও ভীষণ জরুরি। জেনে নিন বর্ষার মনোরম কিছু ফ্যাব্রিকসের পোশাক পরলে আর বৃষ্টিতে নাজেহাল হতে হবে না। এসব হালকা পোশাকও এই সময় স্বস্তি¡র নিঃশ্বাস নেবে আর জামা-কাপড় থাকবে জার্মমুক্ত।

আরামদায়ক পোশাক হিসেবে সুতি অন্য সব ফেব্রিকসের চেয়ে উত্তম। তবে বর্ষার জন্য হলো সুতির যেকোনো পোশাক। পানি লাগলেও ক্ষতির সম্ভাবনা কম আবার শুকাবেও দ্রুত। আর খেয়াল রাখবেন এ সময় যেকোনো পোশাক ধুয়ে তাতে পারফিউমড লিকুইড দিলে কাপড়ে বাজে কোনো গন্ধ ছাড়বে না। সুতির শাড়ি, কুর্তা, চুড়িদার, সালোয়ার-কামিজ, স্কার্ট এমনকি সুতির গাঢ় রঙের পালাজ্জোও অফিস কিংবা কোনো অনুষ্ঠানে দিব্যি পরে ফেলা যায়।

অনেকেই মনে করেন, বর্ষা মানেই ডেনিম কাপড়ের ছুটি। কিন্তু এটা একেবারেই ভ্রান্ত ধারণা। বর্ষার জন্য ডেনিমের যেকোনো পোশাক খুব বেশি স্বস্তিদায়ক না হলেও বৃষ্টির মধ্যে এই পোশাকের ব্যবহার যথেষ্ট প্র্যাকটিক্যাল। রাফ এন টাফ হওয়ার কারণে বৃষ্টিতে ভিজলেও ডেনিমের কাপড় নষ্ট হয় না। আর কাদা লাগলেও সহজেই দাগ তুলে ফেলা যায়। শিফন আর নাইলনের পোশাক বর্ষায় পরার জন্য আদর্শ। কারণ বৃষ্টির জল লাগুক কী কাদা, শিফনের কাপড় ধুয়ে ফেলতেও ঝামেলা কম আর তা নিমেষে শুকিয়েও যায়। বর্ষায় শিফনের শাড়ি, কুর্তা, স্কার্ট অনায়াসে পরাই যায়। এমনকি শিফনের সালোয়ার-কামিজও বর্ষায় যথেষ্ট আরামদায়ক অনুভূতি দেবে। তবে খেয়াল রাখবেন সেটির দৈর্ঘ্য যেন বেশি না হয়।

হয়তো অনেকেরই মনে হবে, বর্ষার জল কাদায় সিল্কের সৌন্দর্য নষ্ট করার জন্য কে সিল্ক পরবে। কিন্তু বর্ষায় সিল্কের থেকে কালারফুল আর কোনো ফ্যাশনওয়্যারই নেই। বর্ষার স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়াতে সিল্কের রং-চঙে পোশাকের সমাবেশ আপনাকে আরো বেশি রঙিন ও ফুরফুরে করে তুলবে। ক্রেপ সিল্ক, আর্ট সিল্প, কটন সিল্ক মিক্স, তসর সিল্কের যেকোনো পোশাকই আপনাকে অন্যদের চোখে ঈর্ষণীয় করে তুলবে।

সুতির চেয়েও আরো এক ধাপ মলমলে এই ফ্যাব্রিকসের কাপড় বৃষ্টি দিনে সবারই সঙ্গী হতে পারে। মলমলের শাড়ি ইতোমধ্যেই শাড়ি জগতে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছে। আর ইস্ত্রিতেই ভেজা মলমলের পোশাক সহজেই শুকিয়ে যায়। তাই বর্ষায় পোশাকের ঝঞ্ঝাট এড়াতে অনায়াসেই মলমলের পোশাক পরে ফেলতে পারেন।

"