নৈঃশব্দের গান

প্রকাশ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০

সোহরাব পাশা

এখন মৃৃত দুপুর

অদৃশ্য অন্ধকারে আলো পড়ে না। মানুষ সমুদ্র্রে

ভাসে অন্ধ ভাবনায়, মর্মতলে জেগে ওঠে দীর্ঘ

নিরবতা নিভৃতে ছায়ার পিছু নেয় তীব্র ভয়;

কোথাও যাওয়ার শব্দে উঁকি মারে সন্দেহ

গবচে দুর্বোধ্য পাঠ মানুষের চোখের অক্ষর

গহিনের ভাষা তার অর্ধেক ছেঁড়া কুড়িয়ে পাওয়া

প্রিয় গল্প আগুন ফুলের ভুল ঘ্রাণ

ফের ভুল করে খুঁজে পায় দুঃস্বপ্নের রাফখাতা

হিসাব মেলে না কুটিল পরিহাসের

দীর্ঘশ্বাসের বিশুদ্ধ অনুবাদ নেই মানুষের

কাফকার অর্ধেকটা চাঁদ গিলে খায় ক্ষিপ্র মেঘ

উপেক্ষার কাদাজলে আটকে থাকে নীল জ্যোৎস্নার ছেঁড়াফুল

কাফকার মøান হাসি জ্বলে বির্মূত বেদনার হলুদজলে

নদীরা দাঁড়িয়ে থাকে জলের ভেতর

মানুষ কী মানুষ হতে চায় নাকি চিল, শকুন

কে যেন শুনিয়ে ছিল অশেষ আকুল নৈঃশব্দের শেষ গান

সময় অসুস্থ হলে স্মৃতিসৌধ ধসে পড়ে

তীব্র হাওয়ার ডানায় উড়ে যায় জীবনের বসন্ত ফাগুন

নির্জন অন্ধক রে মানুষ সোনার পাখি খুঁজে বেড়ায়।

 

"