জামালপুরে বিএডিসি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

প্রকাশ : ০৮ আগস্ট ২০১৭, ০০:০০

জামালপুর প্রতিনিধি

জামালপুর পৌর এলাকার দাপুনিয়া কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) এগ্রো সার্ভিস সেন্টারের উপ-পরিচালক হোসনেয়ারা বেগমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ১১টার দিকে চেয়ারম্যন বিএডিসি কৃষি ভবন ঢাকা কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে জেলা যুবলীগের সাবেক সদস্য রেজাউল করিম।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, জামালপুর কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) দাপুনিয়া এগ্রো সার্ভিস সেন্টারের খামার কাজে ব্যায়ের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগ প্রতি মাসে ১ লক্ষ ৬০ হাজার থেকে ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়। উপ-পরিচালক হোসনেয়ারা সেই বরাদ্দের টাকা নাম মাত্র কাজ দেখিয়ে পুরো টাকা তিনি আত্মসাৎ করেন। এছাড়া কৃষকদের বছরে ৮টি ব্যাচের জন্য ৭২ হাজার টাকা সংস্থা বরাদ্দ দেয়। পরে কৃষকদের মাঝে কোন প্রকার প্রশিক্ষণ না করিয়ে পুরো টাকা তিনি মেরে দেন। সার, বীজ, চারা, কীটনাশক, জ্বালানী, আসবাবপত্র, কম্পিউটার, পাওয়ার টিলার ও মাছের পোনা খাদ্য বাবদ অত্র সংস্থা বছরে ৯০ হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিয়ে থাকে। তিনি এ বরাদ্দের টাকাও ভূয়া প্রকল্প দেখিয়ে তুলে নেন। জামালপুরের দাপুনিয়া বিএডিসি এগ্রো সার্ভিস সেন্টারের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তারা বলেন, সংস্থার টাকা যথাযথ ব্যবহার না হওয়ায় অত্র কার্যালয়ের সকল কার্যক্রম থুবড়ে পড়েছে।

একই অফিসের আরেকজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলেন, সংস্থার টাকা যথাযথ ব্যবহার না করায় মাতৃবাগানের বেহাল অবস্থা রয়েছে। সেখানের গাছগুলো যতেœর অভাবে শেষ হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া বিএডিসির পুকুরে মাছ না ছাড়ায় পুকুরের অবস্থাও পতিতের মত কচুরীপানা ও জঙ্গলে পরিনত হয়েছে। কীটনাশকের অভাবে আলুর ব্লকে আলুতে ব্রাইট ধরে আস্তে আস্তে ব্লকগুলো বাতিল হয়ে যাচ্ছে। উপ-পরিচালক হোসনেয়ারা তার কার্যালয়ে মাসে ৭ থেকে ৮ দিন অফিস করে বাকি দিনগুলো ফাঁকি দিয়ে অফিস পরিচালনা করছেন। এছাড়াও বিভিন্ন অনিয়ম এখন তার জন্য ওপেন সিক্রেট।

এ ব্যাপারে উপ-পরিচালক হোসনেয়ারা বেগমের সাথে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে মোবাইল ফোনটি রিসিভ করে কেটে দেন। এর পর তাকে একাধিক বার ফোনে যোগাযোগ করা হরে তিনি তার ফোনটি রিসিভ করেন নি।

"