কাজে আসছে না সেতু ঝুঁকি নিয়ে চলাচল

প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০১৭, ০০:০০

সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

সিংগাইর উপজেলার সায়েস্তা ইউনিয়নের লক্ষীপুর-উত্তর কানাই নগর সড়কের খালের ওপর সংযোগস্থলে বটতলা সেতু নির্মাণ কাজ শেষ হলেও দু’পাশে মাটি ভরাট হয়নি। ওই সেতুটিতে বাঁশ বেয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। ফলে সম্পদসহ প্রাণহানির আশংকা করা হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, উপজেলার উত্তর কানাই নগর, বাহাদিয়া, গোপালনগর, রামনগর, বাটি, ছয়ানী, রামকান্তাপুর ও মধুররচর গ্রামের বাসিন্দাদের উপজেলার চলাচলে একমাত্র রাস্তা লক্ষীপুর-উত্তর কানাই নগর সড়ক। সড়কটির উত্তর কানাই নগরের মনছের খার বাড়ির পাশে খালের ওপর সংযোগস্থলে সেতু না থাকায় প্রায় ২০ হাজার লোকের চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।

এলাকাবাসির দাবির প্রেক্ষিতে দীর্ঘদিন পর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় ৬০ ফুট দৈর্ঘ্য ৫৬ লাখ ৮১ হাজার ১০৬ টাকা ব্যয়ে সেতু নির্মিত হয়।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স এ.এইচ.এম ব্রিকস গত ১৪ ফেব্রুয়ারি সেতুটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, জনগুরুত্বপূর্ণ এ সেতুর পশ্চিম পাশে সামান্য কিছু মাটি দেয়া হলেও চলতি মৌসুমে বর্ষার পানিতে তার অর্ধেক তলিয়ে গেছে। সেতুটির পূর্ব পাশে ওঠা-নামার মাটি না দেয়ায় পথচারিরা একটি বাঁশ ঠেকিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন। ফলে মারাত্মক দুর্ঘটনার আশংকা করছেন এলাকাবাসি।

ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স এ.এইচ.এম ব্রিকসের স্বত্তাধিকারী আব্দুল আলীম বলেন, দু‘পাশের ১০০ ফুট এপ্রোচের জন্য ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ধরা থাকলেও আমি তার চেয়েও বেশি মাটি ভরাট করেছি। তারপরেও রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে স্থানীয় বাসিন্দাদের জমি থেকে মাটি নিয়ে ভরাট করতে চেয়েছিলাম কিন্তু তারা রাজি না হওয়ায় আমি পিছু হটেছি। তিনি আরো বলেন, এমপির বিশেষ বরাদ্দ থেকে অনুদান পেলে সেতুর দু‘পাশে মাটি ভরাট সম্ভব হবে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, সেতুটির সংযোগস্থলে মাটি ভরাট নিয়ে এমপি মহোদয়ের ব্যক্তিগত সহকারির মাধ্যমে অবগত করা হয়েছে। তার কাছ থেকে আশ্বাসও পাওয়া গেছে।

এ ব্যাপারে মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগমের মোবাইল ফোনে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

"