ভাদাম-ভাকরাল সংযোগ সেতুটি হুমকির মুখে

প্রকাশ : ১৭ জুলাই ২০১৭, ০০:০০

টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের টঙ্গীর ভাদাম-ভাকরাল সংযোগ সেতুটি দীর্ঘদিন যাবত হুমকির মুখে। যে কোন মুহূর্তে সেতুটি ভেঙ্গে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এতে সাধারণ মানুষ ও ভাকরালবাসী বড় ধরনের হুমকির সম্মুখীন হতে পারে। ভাকরাল এলাকায় প্রায় ১৫/২০ হাজার লোক টঙ্গীর সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।

জানা গেছে, ৩০ জানুয়ারী ২০১৩ সালে টঙ্গী পৌরসভার সাবেক মেয়র এড. আজমত উলা খান এ সেতুটি উদ্বোধন করেন। তার প্রচেষ্টায় সেতু নির্মাণ করে টঙ্গীবাসীর সাথে একত্রিত করলেও এক শ্রেণির অসাধু বালু ব্যবসায়ীদের কারণে সেটি আজ পিলার শূন্য হয়ে পড়ছে। প্রতিনিয়ত বালু ব্যবসায়ী আফাজ উদ্দিন, রফিক মিয়া, সফি মিয়া, বোরহান উদ্দিন, আনিস মিয়া ৫টি বলগেট, ৪টি ট্রলার ও ২টি ড্রেজারের মাধ্যমে তুরাগ নদী হতে বালু ভর্তি বলগেট ট্রলার ও ড্রেজার ভাদাম-ভাকরাল সেতু নিচ দিয়ে ছায়াকুঞ্জ আবাসিক প্রকল্পে আনা-নেওয়া করে। এতে বলগেট ও ট্রলার ড্রেজারের ঘসায় মাঝখানের একটি পিলার ভেঙ্গে গেলেও কর্তৃপক্ষ কোন প্রকার কর্ণপাত না করায় এলাকাবাসীর উদ্যোগে আফাজ উদ্দিন, আশকর ভান্ডারী, সেলিম মিয়া, হাবিবুলাহ দোকানদার, আব্দুল মান্নান, নূরুল হক, সবদর আলী, মো. নাসির মিয়া ও ওয়াজ উদ্দিন সেতুর নিচ দিয়ে বালু ভর্তি বলগেট ট্রলার ও ড্রেজার মেশিন আনা নেওয়া না করার জন্য তাদেরকে বার বার শতর্ক করার পরও আফাজ উদ্দিন, রফিক, সফিক, লেহাজ উদ্দিন, আনিস মিয়া কোন প্রকার কর্ণপাত করছে না বরং এলাকাবাসী প্রতিবাদ করলে তাদেরকে নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছে এবং এলকাবাসীকে নানারূপ মামলা দিয়ে হয়রানি করার হুমকি দিচ্ছে, ছায়াকুঞ্জ আবাসিক প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামরুল হাসানসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা। এলাকাবাসী জানান, ছায়াকুঞ্জ আবাসিক প্রকল্প একটি বড়ধরনের কোম্পানী। তাদের সাথে স্থানীয় কাউন্সিলর ও এলাকাবার প্রভাবশালীদের আতাত রয়েছে এবং ছায়াকুঞ্জ প্রকল্প থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। কিন্তু ভাদাম ভাকরাল সংযোগ সেতুটি ভেঙ্গে পড়লে এলাকার সাধারণ মানুষ নানারূপ হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়বে। সেতু থাকায় ভাকরাল এলাকায় কয়েক হাজার গার্মেন্টস শ্রমিক বসবাস করে আসছে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় এলাকাবাসীর উদ্যোগে ভাদাম-ভাকরাল সংযোগ সেতু রক্ষার জন্য সাবেক টঙ্গী পৌরসভায় সাবেক মেয়র এড. আজমত উলা খান ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন স্থানীয় সরকার বিভাগে একাধিক অভিযোগ করা হয়েছে।

"