বৈশাখী মেলায় অনিয়ম পুরস্কার আত্মসাতের চেষ্টা

প্রকাশ : ২০ মে ২০১৭, ০০:০০

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি

রাজশাহীর তানোর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচিত বৈশাখী মেলা নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে চাদাবাজি ও অর্থ বাণিজ্যর অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়রা জানান, স্থানীয় আওয়ামী লীগরা নেতা নিজের পকেট ভারী করতে বৈশাখী মেলায় জুয়া-ফড় ও অশ্লীল নৃত্য আয়োজনের অনুমোদন দিয়ে মেলাকে কুলষিত করেছেন।

এদিকে ওই নেতার অনুসারি বলে পরিচিত ও তার নেপথ্যে মদদে এক সাংবাদিক নেতা মেলার দ্বিতীয় পুরস্কার একটি ফ্রিজ আত্মসাতের চেস্টা করে হাতেনাতে ধরা পড়েছেন। আলোচিত এই ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টায় জনমনে নানা প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ আছে, আয়োজক কমিটির কেউ এই ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছে।

জানা গেছে, চলতি বছরের ৭ মে রোববার তানোর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ডাকবাংলো মাঠে সপ্তাহ ব্যাপী বৈশাখী মেলা আয়োজন করা হয়। আর দর্শনার্থীদের মেলায় প্রবেশ মূল্যর ১০ টাকা টিকেট দেয়া এবং টিকেটের টাকায় তিনটি পুরস্কার দেয়ার কথা বলা হয়। গত ১৮ মে বৃহস্পতিবার রাতে লটারির ড্র অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে মেলার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কুঠিপাড়া গ্রামের জনৈক বাদল তার ১০টি টিকেট ওই সাংবাদিককে মিলিয়ে দেখার জন্য অনুরোধ করেন। এ সময় ওই সাংবাদিক টিকেট মিলিয়ে দেখেন বাদলের একটি টিকেট দ্বিতীয় পুরস্কারের (একটি ফ্রিজ) জন্য নির্বাচিত হয়েছে। পরে পালানোর সময় মেলার দর্শনাথীর হাতে আটক সাংবাদিক টিকেট নেয়ার কথা অস্বীকার করেন। খবর পেয়ে মেলা সংলগ্ন শিতলীপাড়া গ্রামের প্রায় শতাধিক নারী-পুরুষ ঝাড়– হাতে সেখানে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ ও শাস্তির দাবি করলে সেখানে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। সাংবাদিকের দেহতল্লাশী করে শরীরের স্পর্শকাতর স্থান থেকে টিকেট উদ্ধার করা হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক সূত্র এ খবরের সত্যতা স্বীকার করেন। এব্যাপারে মেলা কমিটির আহ্বায়ক ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল-মামুন বলেন, মেলায় কোনো ধরণের অনিয়ম বা অসামাজিক কোনো কর্মকান্ড হয়নি। এটা শুধুমাত্র বাঙালী ঐতিহ্য ধরে রাখা ও সুস্থ বিনোদনের জন্যই করা হয়েছে।

"