দশমিনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণ নিয়ে সংঘর্ষের শঙ্কা

প্রকাশ : ০৪ জুলাই ২০২০, ০০:০০

দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের গুলি আউলিয়াপুর দারুল ইসলাম সিরাজিয়া স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসার জায়গায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণকে কেন্দ্র করে শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের মাঝে সংঘর্ষের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ ঘটনায় উত্তেজনা বিরাজ করছে দুই প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদের মাঝে। যে কোন সময় সংঘর্ষের আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী।

জানা গেছে, উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের গুলি আউলিয়াপুর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় ১৯৮৩ সালে গুলি আউলিয়াপুর দারুল ইসলাম সিরাজিয়া স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ৮৪ সালের দিকে স্থানীয়রা মাদরাসাটির নামে ৩২ শতাংশ জমি দান করেন। অপরদিকে ২০১১ সালের দিকে ১২৩নং রনগোপালদী ইউনিয়ন প্রাথমিক নামের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। মাদরাসার নামে জমির দলিল থাকলেও বিদ্যালয়টি সরকারি হওয়ায় ওই স্থানে প্রাথমিকের ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ। এ ঘটনায় ২০১৮ সালের দিকে মাদরাসার সুপার মোস্তফা কামাল ইউএনও বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেন। পরে ইউএনও ওই বছরই সরকারি সার্ভেয়ারকে জমি মেপে প্রতিবেদন দিতে বললেও দুই বছরেরও তা আর আলোর মুখ দেখেনি। দীর্ঘদিন প্রাথমিকের ভবন নির্মাণের কাজ বন্ধ থাকায় নতুন করে ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হলে নতুন করে উত্তেজনা বিরাজ করছে দুই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকসহ কমিটির লোকজনের মধ্যে। আদালতে মামলা চলমান অবস্থায় ভবন নির্মাণের কাজ চলমান থাকায় মাদ্রাসা ও প্রাথমিকের সংশ্লিষ্টদের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে। সর্বশেষ ইউএনও তানিয়া ফেরদৌসের কাছে ২৯ এপ্রিল নির্মাণ কাজ বন্ধ চেয়ে লিখিত আবেদন করলে তিনি সরকারি সার্ভেয়ার আবুল কালাম ও তসিলদার ফোরকানুল আলমকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিলেও তিনি তা কর্নপাত করেননি।

উপজেলা প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম জানান, মাদ্রাসা ও প্রাথমিকের মাঝে জমি নিয়ে বিরোধের বিষয়টি তিনি জানেন। ইউএনও তানিয়া ফেরদৌস বিষয়টি দেখবেন বলে জানিয়েছেন।

 

"