সীতাকুণ্ডে চাঁদা না দেওয়ায় খামার ভাঙচুর, হত্যার হুমকি

প্রকাশ : ০৫ জুন ২০২০, ০০:০০

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে চাঁদা না পেয়ে খামার ভাংচুর, ছাগল লুট ও খামারীকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে এক ইউপি সদস্যের ছেলে বিরুদ্ধে। গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলার বাড়বকু- ইউনিয়ের মুসা কলোনী সংলগ্ন আমতল এলাকায় ওই ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। ইউনিয়নের চৌধুরী পাড়ার জালাল আহম্মদের ছেলে ভুক্তভোগি খামারি সাদ্দাম এই অভিযোগ করেন। তবে এ বিষয়ে থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ কোন মামলা নেয়নি বলে ভুক্তভোগির অভিযোগ।

ভুক্তভোগে খামারী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের আগে থেকে স্থানীয় মহিলা ইউপি সদস্যের ছেলেসহ একদল সন্ত্রাসী খামারি সাদ্দাম ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। তিনি চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় বৃহস্পতিবার খামারির ছাগল ও ঘোড়া পলনের ঘরটি ঈদির দিন দুপুরে ভাংচুর করে। এতে খামারে থাকা কেয়ারটেকার চাঁন মিয়ার ছেলে কায়ছার (২৫) বাধা দিতে গেলে তাকে গুরুতর আহত করে ৬টি ছাগল নিয়ে চলে যায়।

সাদ্দাম জানান, অনেক কষ্টের বিনিময়ে কিস্তির টাকা দিয়ে ঘর তৈরি করে খামারে ৩০টি ছাগল ও একটি ঘোড়া নিয়ে খামার চালু করি। খামারটি চালু করার পর থেকে বাড়বকু- ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬নং ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার পারুল আক্তারের ছেলেসহ একদল সন্ত্রাসী চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা না দিলে খামার ছেড়ে চলে যেতে বলে। তিনি চাঁদা না দেওয়ায় বৃহস্পতিবার সকালে অস্ত্রসস্ত্র হামলা চালায়। পরে দুপুর আবারো চাঁদা না দিলে হত্যার করার প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে যায় তারা। এখন প্রাণে রক্ষা পেয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছি, কিন্তু থানায় কোনো মামলা নেয়নি। বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য পারুল মুঠোফোনে প্রতিদিনের সংবাদকে জানান, চাঁদা দাবি ও ছাগল চুরির বিষয়টি সঠিক না, তবে আমার ছেলেসহ এলাকার লোকজন তার যে ঘর ভেঙ্গেছে সেটি মদ তৈরি করার ঘর। তবে ঘর ভাঙ্গার বিষয়টি বিচার করে স্থানীয়ভাবে মিমাংশা করা হবে।

 

"