দুস্থদের ভাতার টাকা বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছে সোনালী ব্যাংক

প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২০, ০০:০০

গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সাধারণ ছুটির মধ্যেও সরকারের দেওয়া বিভিন্ন ভাতা সেবা চালু রেখেছে সোনালী ব্যাংক ময়মনসিংহের ফুলপুর শাখা। কিন্তু ভাতার টাকা উত্তোলন করতে উপকারভোগীরা ব্যাংকে এসে ভিড় করলে ব্যত্যয় ঘটবে সামাজিক দূূরত্বের। এতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঝুঁকি বাড়বে এমন আশঙ্কায় ব্যাংকটির ম্যানেজার খায়রুল আলম তুহিন সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ভাতার টাকা বিতরণ করতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ হাতে নিয়েছেন।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে ব্যাংক ম্যানেজার তুহিন উপকারভোগীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভাতার টাকা তাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন। ব্যাংক কর্মকর্তাদের এমন আন্তরিক সেবায় বাড়িতে বসে টাকা পেয়ে দুস্থ মানুষগুলোও খুশি।

জানা গেছে, ফুলপুর উপজেলার পৌরসভা ও পয়ারী, রহিমগঞ্জ ও ফুলপুর এই তিন ইউনিয়নের বয়স্ক ও বিধবা ভাতার টাকা ফুলপুর সোনালী ব্যাংক থেকে বিতরণ করা হয়। পৌরসভাসহ ওই তিন ইউনিয়নে বয়স্ক ভাতা পান ১ হাজার ২০০ জন ও বিধবা ভাতা পান ৭৫০ জন।

এদিকে চলতি সপ্তাহের গত সোমবার থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির আওতায় গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ফুলপুর পৌরসভা ও রহিমগঞ্জ ইউনিয়নের অধিকাংশ উপকারভোগীর বাড়িতে বয়স্ক ও বিধবা ভাতার টাকা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্য ইউনিয়নের উপকারভোগীদের বাড়িতেও ভাতার টাকা পৌঁছে দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে গত বৃহস্পতিবার সকালে কথা হয় ব্যাংক ম্যানেজার খায়রুল আলম তুহিনের সঙ্গে। তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে সরকারের পক্ষ থেকে সবাইকে ঘরে থাকতে বলা হয়েছে। তাই নিজের ব্যতিক্রম ভাবনা থেকেই সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে উপকারভোগীর বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভাতার টাকা পৌঁছে দিচ্ছি।

রহিমগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ সরকার বলেন, করোনাভাইরাস পরিস্থিতির পূর্বে উপকারভোগীরা ব্যাংকে এসে গাদাগাদি করে লাইনে দাঁড়িয়ে ভাতার টাকা উত্তোলন করতেন। আর এখন ঘরে বসেই তারা টাকা পাচ্ছেন।

 

"