তিন স্থানে খুন

প্রকাশ : ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ০০:০০

প্রতিদিনের সংবাদ ডেস্ক

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জমি বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় যুবক নিহত হয়েছেন। ফেনীর ফুলগাজীতে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে আরেক বন্ধু খুন হয়েছেন। অপরদিকে নওগাঁয় ছেলের হাতে বাবা খুনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :

চাঁপাইনবাবগঞ্জ : চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রতিপক্ষের হামলায় রবিউল আলম (৩৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। নিহত রবিউল আলম সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের আমনুরা কলোনিপাড়ার মন্টু চৌধুরীর ছেলে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। পরে দুপুর দেড়টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান তিনি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় প্রতিবেশী আনসার মোড়লের লোকজনের সঙ্গে রবিউল আলম ও তার স্বজনদের জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। সকালে এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে রবিউল আলমকে প্রতিপক্ষরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সদর হাসপাতাল পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর দেড়টার দিকে তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে সদর মডেল থানার ওসি মো. জিয়াউর রহমান।

ফুলগাজী (ফেনী) : ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা আমজাদ হাট ইউনিয়নের ধর্মপুর গ্রামে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে মাসুদ রানা মানিক (১৯) নামে এক কিশোর খুন হয়েছেন। নিহত মাসুদ ওই গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে। গত বুধবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। ঘাতক জসিম উদ্দিন (১৮) একই গ্রামের কপিল উদ্দিনের ছেলে।

সরেজমিনে জানা যায়, বুধবার রাতে মাসুদ রানা মানিকের সঙ্গে কথা আছে বলে ফোন করে কিল্লাদিঘী বাজারে ডেকে নেয় জসিম উদ্দিন। এসময় তাদের মধ্যে বাকবিতন্ড হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে জসিম মানিককে ছুরিকাঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই মানিক মারা যায়। পরে মানিকের বাবা রাতেই থানায় একটি মামলা করে। স্থানীয়দের ধারনা প্রেম ঘঠিত কারনে তাদের মধ্যে এ সংঘাত সৃষ্টি হয়।

এ বিষয় ওসি কুতুব উদ্দিন জানায়, এ ঘটনায় জড়িত জসিমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

নওগাঁ: পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে নওগাঁর সদরের পুরাতন খরিহাটী পার মহল্লায় ছেলের হাতে বাবা খুন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার রাত সাড়ে ১০টায় নিজ বাড়িতে ছেলে মামুন হোসেন লাঠির আঘাতে পিতা আক্কাছ আলী মারা যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় পিতা আক্কাছ আলীর সঙ্গে মামুনের বাকবিতা- বাঁধে। এর এক পর্যায়ে মামুন লাঠি দিয়ে বাবার মাথায় আঘাত করলে তিনি পরে গিয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে আক্কাছ আলীকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিলে কর্মরত ডাক্তার তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ সংবাদ পেয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর আধুনিক হাসপাতালে প্রেরণ করেন। ওসি সোহরাওয়ার্দী হোসেন জানান, এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

 

"