চৌহালীতে নতুন ঘর পেলেন ১৯২ হতদরিদ্র

প্রকাশ | ১১ অক্টোবর ২০১৯, ০০:০০

বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ তহবিল থেকে ‘জমি আছে ঘর নাই প্রকল্প’র আওতায় সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় ৬ ইউনিয়নে ১৬৬ টিনের ঘর ও ২৬টি দুর্যোগসহনীয় গৃহ হস্তান্তর করা হয়েছে। গৃহহীন এসব পরিবারে টিন ও দালান ঘর নির্মাণ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। মাত্র এক লাখ টাকায় মেঝে পাকা একটি টিনের ঘর, বারান্দা ও একটি পাকা টয়লেট তৈরি করা হয়েছে। আর ২ লাখ ৫৮ হাজার টাকায় দালান, রান্না ঘর ও টয়লেট নির্মাণ করা হয়েছে। এই কাজে সার্বিক তদারকি করেছেন ইউএনও মুহা. আবু তাহির ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মজনু মিয়া।

সরেজমিন জানা যায়, উপজেলায় ১৯২ জন গৃহহীন পরিবারকে একটি করে পাকা ঘর ও একটি করে পাকা টয়লেট তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। উপজেলার সদিয়া চাঁদপুর ইউনিয়নে ২২টি, স্থল ইউনিয়নে ৩০টি, ঘোড়জান ইউনিয়নে ২৩টি, খাষকাউলিয়া ইউনিয়নে ২৩টি, খাষপুখুরিয়া ইউনিয়নে ৩৪টি, বাঘুটিয়া ইউনিয়নে ৩৪টি গৃহহীন পরিবারকে এ ঘর করে দেওয়া হয়। যেসব পরিবারের ভিটেবাড়ি ও ৩ থেকে ১০ শতাংশ জমি আছে কিন্তু মাটি কিংবা বেড়ার ঘর তাদের এই প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। দুর্গম চৌহালী উপজেলার ১৯২ টি গৃহহীন পরিবার কখনো স্বপ্নেও ভাবেনি তারা পাকা ঘরে ঘুমাবেন। গৃহহীন পরিবারগুলো পাকা ঘর পেয়ে অনেক খুশি।

দালানঘর পাওয়া খাষকাউলিয়ার নজরুল ইসলাম জানান, তিনি অন্যের বাড়িতে শ্রমিকের কাজ করেন। মাত্র ২.৫০ শতক ভিটা-বাড়ি আছে। আর কোনো জমি নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে তার ঘর বানিয়ে দেওয়াতে তাই তিনি অনেক খুশি।

ইউএনও মুহাম্মদ আবু তাহির জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আমার গ্রাম, আমার শহর গ্রাম হবে এই শ্লোগান বাস্তবায়নে গ্রামীন দরিদ্র জনগোষ্টির জীবনমান উন্নয়নে দুর্যোগপূর্ণ এলাকায় টেকশই গৃহনির্মাণে সরকারী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে চৌহালী উপজেলায় ১৬৬ জন গৃহহীন পরিবারকে টিনের মেঝে পাকা ও ২৬ পরিবারকে পাকা দালান ঘর তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। টিনের প্রতিটি ঘর ও টয়লেট তৈরি করতে এক লাখ টাকা করে ব্যয় করা হয়েছে। আর পাকা দালান তৈরিতে ২ লাখ ৫৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।

 

"