বকেয়া পেলেন ৫ কর্মকর্তা এখনো অনিশ্চয়তায় ৫৩

প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০

বেরোবি প্রতিনিধি

ছয় বছর পর ৪৪ মাসের বকেয়া বেতন পেয়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) পাঁচ কর্মকর্তা। উপাচার্য বরাবর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত রোববার বকেয়া অর্থ তাদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে জমা হয়। তবে বাকি ৫৩ জন কর্মচারী তাদের বকেয়া অর্থ নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন।

বকেয়াপ্রাপ্ত পাঁচ কর্মকর্তা হলেন ড. ওয়াজেদ রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সায়েন্টিফিক অফিসার আবু সায়েম মো. আহসান হাবীব, সেকশন অফিসার (গ্রেড-১) তৌহিদুল ইসলাম, বাংলা বিভাগের সেকশন অফিসার (গ্রেড-২) রফিকুল ইসলাম, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সেকশন অফিসার (গ্রেড-২) গোলাম নূর ও ইংরেজি বিভাগের সেকশন অফিসার (গ্রেড-২) ওবায়দুর রহমান।

জানা যায়, ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের পর প্রথম চার মাসের বেতন পেলেও মে মাস থেকে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ৫৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর মোট ৪৪ মাসের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়নি। ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে পুনরায় তাদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়। এ ব্যাপারে কয়েকবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এবং বর্তমান উপাচার্য, রেজিস্ট্রারের সঙ্গে মৌখিক এবং লিখিতভাবে আবেদন করেন তারা। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬২তম সিন্ডিকেটে তাদের বকেয়া পরিশোধ করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এদিকে ৫৮ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে পাঁচ কর্মকর্তা বকেয়া বেতন পেলেও বাকি ৫৩ জন কর্মচারী অনিশ্চয়তায় রয়েছেন। বকেয়া বেতনসহ চারদফা দাবিতে আন্দোলন করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ।

জানতে চাইলে উপাচার্য ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর বরাত দিয়ে জনসংযোগ দফতরের সহকারী প্রশাসক তাবিউর রহমান প্রধান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় কর্মকর্তাদের ৪৪ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হয়েছে। আন্দোলন প্রত্যাহার করলে বাকি কর্মচারীদের বকেয়া পরিশোধ করতেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আন্তরিক।

তবে কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি নূর আলম বলেন, আমরা বর্তমানে চার দফা দাবিতে আন্দোলন করছি। ৪৪ মাসের বকেয়া বেতন তার মধ্যে একটি। বাকিগুলোর নিশ্চয়তা না পেলে আন্দোলন থেকে কীভাবে সরে আসি।

 

 

"