মধুখালীতে ভাসমান বীজতলায় কৃষকের আগ্রহ

প্রকাশ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০

মধুখালী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় ‘ভাসমান বীজতলা’ নিয়ে কৃষকদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। ইতিমধ্যে উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার কৃষিতে ‘ভাসমান বীজতলা’ তৈরীতে কৃষকেরা কাজ শুরু করে দিয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ পদ্ধতিতে ৩ কেজি ধানের বীজতলা তৈরী করতে ১ শতাংশ জমির পরিমানে ভাসমান বীজতলা তৈরী করে ২০ শতাংশ পরিমান জমিতে ধানের চারা রোপন করা যায়। সবথেকে বড় সুবিধা রয়েছে বীজতলার এ চারা অল্প বয়সে রোপন করা যায়। এতে ফলন বাড়ে। বন্যার সময় আপদকালীন এ পদ্ধতিতে বীজতলা করতে সুবিধা হয় আর চারার গুণগত মান হয় উন্নত। বীজতলার চারা উত্তোলনের পর এসব বেডে সবজি বা অন্যান্য সবজি জাতীয় ফসল উৎপাদন করে লাভবান হওয়া সম্ভব।

উপজেলার আড়পাড়া গ্রামের ভাসমান বীজতলা তৈরী কৃষক কামরুল সেখ বলেন, এ প্রযুক্তি পেয়ে আমি অধিক ফসল ঘরে তোলার আশা করছি।

উপজেলা কৃষি অফিসার প্রতাপ মন্ডল বলেন, এ উপজেলাতে চাষীরা ‘ভাসমান বীজতলা’ তৈরীতে আগ্রহ দেখাচ্ছে। কৃষি অফিস হতে সকল প্রকার সহযোগিতা করা হচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ফরিদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ পার্থ প্রতীম সাহা বলেন, আমি মধুখালী উপজেলার দুটি ‘ভাসমান বীজতলা’ পরিদর্শন করেছি। ধান বীজ তৈরীতে এটি খুব ভালো পদ্ধতি। কৃষকরা লাভবান হবে। গতকাল রোববার কয়েকটি বীজতলা পরিদর্শনের সময় উপজেলা কৃষি অফিসার, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার রফিকুল ইসলাম ছাড়াও উপসহকারী কৃষি অফিসারবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

"