ফুলবাড়িয়া হাসপাতাল

প্যাকেটবন্দি আলট্রাসনোগ্রাম গ্যারেজে নষ্ট অ্যাম্বুলেন্স

প্রকাশ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০

ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিনটি প্যাকেট বন্দি অবস্থায় রাখা হয়েছে। এছাড়া নির্দিষ্ট চালক না থাকায় সরকারি এ্যাম্বুলেন্সটিও গ্যারেজে অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এতে প্রতিনিয়ত ব্যহত হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা।

প্রায় ৫ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবার একমাত্র সরকারি হাসপাতালে প্রতিদিন চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন হতদরিদ্র রোগীরা। জনবল সংকট ও আল্ট্রাসনোলিস্ট না থাকায় দুই বছর ধরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় ওষুধাগারের দেওয়া মূল্যবান এ মেশিনটি অব্যবহৃত পড়ে আছে। ২ মাস ধরে নষ্ট হয়ে গেরেজ বন্দি রয়েছে জরুরি রেফার্ডকৃত রোগীদের একমাত্র ভরসা সরকারি অ্যাম্বুলেন্স। ফলে বিনামূল্যে চিকিৎসা নিতে এসে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা।

হাসপাতালের জমিদাতা পরিবারের সদস্য ব্যবসায়ী হারুন অর রশিদ অভিযোগের ভাষায় বলেন, জরুরি রোগীকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের প্রয়োজনে অ্যাম্বুলেন্সের জন্য পার্শ্ববর্তী ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের দরজায় কড়া নাড়তে হয়। হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স ভাল থাকলে ৪শ-৫শ টাকায় ময়মনসিংহ যেতে পারত কিন্তু বাইরে থেকে নিলে ৭শ থেকে ৮শ টাকা লেগে যায়। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বিধান চন্দ্র দেবনাথের রয়েছে আল্ট্রাসনোগ্রামের সি-আল্ট্রা নামক প্রশিক্ষণ। ভারপ্রাপ্ত মেডিকেল অফিসার ডা. হারুন আল মাকসুদের রয়েছে সি-আল্ট্রা প্রশিক্ষণ সহ আল্ট্রাসনোগ্রামে ডি.এম.ইউ নামক বিশেষ প্রশিক্ষণ।

জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত আর.এম.ও ডা. হারুন আল মাকসুদ বলেন, আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন আছে, কিন্তু রিপোর্ট লেখার জন্য একজন সহকারি এবং একটি কম্পিউটার প্রয়োজন। অ্যাম্বুলেন্স নষ্ট স্বীকার করে হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত আরএমও বলেন, এ্যাম্বুলেন্সটি খুবই পুরনো, নতুন এ্যাম্বুলেন্স চেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বরাবর চিঠি দেওয়া হয়।

 

"