কক্সবাজারে ৩ পুকুরকে ঘিরে গড়ে উঠছে পর্যটনকেন্দ্র

প্রকাশ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০

শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) আওতাধীন পর্যটন শহরের ঐতিহ্যবাহী তিনটি পুকুর সংস্কার প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। ঐতিহ্য হারাতে বসা তিনটি দীঘি পুনর্খননের মাধ্যমে দুই পাড়ে হাঁটার পথ, পর্যটকদের বাড়তি বিনোদন চাহিদা পূরণে ৩৬ কোটি ব্যয়ে প্রকল্প প্রনয়ণ করছে কউক। নতুন করে ওই এলাকায় গড়ে উঠছে পর্যটনকেন্দ্র।

জানা গেছে, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে কক্সবাজার শহরস্থ ঐতিহ্যবাহী লালদীঘি, গোলদীঘি ও বাজারঘাটা পুকুর পুনর্বাসনসহ ভৌত সুযোগ-সুবিধার উন্নয়ন প্রকল্প নামে পুকুর সংস্কারসহ সৌন্দর্যবর্ধনে গৃহীত প্রকল্পের উদ্যোক্তা কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লে. কর্নেল (অব.) ফোরকান আহমদ। পরিচালনায় রয়েছেন প্রকল্প পরিচালক লে. কর্নেল আনোয়ার উল ইসলাম।

লে. কর্নেল (অব.) ফোরকান আহমদ বলেন, সময়ের চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সব সেবা জনগণের কাছে পৌঁছাতে এবং কক্সবাজারকে একটি আন্তর্জাতিক পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ গ্রহণে আমরা দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি আরো বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ থাইল্যান্ড, মালেশিয়া, ভুটান, নেপাল, ভারত, ও মালদ্বীপের থেকেও অধিক বেশি-বিদেশি পর্যটক আকৃষ্ট করতে পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করছে কউক।

স্থানীয় বসিন্দারা বলেন, সরকারি জায়গা অবৈধ দখলমুক্ত করতে, অযতেœ অবহেলায় পরিত্যক্ত লালদীঘি, গোলদীঘি ও বাজারঘাটা নাপিতাপুকুরগুলোকে অত্যাধুনিক পর্যটন স্পষ্ট হিসেবে তৈরি করতে কউক এই ব্যতিক্রম উদ্যোগ হাতে নিয়েছে।

তিন পুকুরের কাজ সম্পন্ন হলে কক্সবাজারে আগত পর্যটন ছাড়াও বিপুল পরিমাণ স্থানীয় জনগণের বিনোদন চাহিদা পূরণ, শহরভিত্তিক স্থানীয় জনগণের দৈনন্দিন হাঁটাচলার জন্য স্বস্তির জায়গা তৈরি হবে।

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আর্কিটেক্ট আইনুল ইসলাম বলেন, এ প্রকল্পে রয়েছে প্রতিটি পুকুরের চতুর্দিকে রিটেনিং ওয়ালের মাধ্যমে একটি ওয়াকওয়ে তৈরি করা, পুকুরসংলগ্ন স্থানে আপ্যায়নের জন্য থাকবে ক্যাফটেরিয়া, অবসর সময়ে ছাত্রছাত্রীসহ সর্বসাধারণের জন্য থাকবে লাইব্রেরি সুবিধা, শিশুদের বিনোদনের জন্য ওয়াটার শো, চোখজুড়ানো লাইটিংয়ের ব্যবস্থা, অবজারভেশন ডেক এবং এমপি থিয়েটারসহ আরো নানা ধরনের বিনোদন ব্যবস্থা।

"