বকেয়া প্রায় আড়াই কোটি টাকা

উল্লাপাড়ায় চামড়া কেনায় চালান সহায়তা পাচ্ছেন না ফড়িয়ারা

প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০

সাহারুল হক সাচ্চু, উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ)

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় চামড়ার ফড়িয়া ব্যবসায়ীরা এখন যোগাযোগ করছেন মহাজনদের সঙ্গে। তারা চাইছেন কোরবানির পশুর চামড়া কেনায় চালান (মূলধন) সহায়তা। তবে এবার মহাজনদের কাছ থেকে বেশির ভাগ ব্যবসায়ীই চালানের সহায়তা পাবেন না বলে জানতে পেরেছেন। এরই মধ্যে নাটোরসহ অন্য এলাকা বড় মহাজনদের কাছে পাওনার প্রায় আড়াই কোটি টাকা মাসের পর মাস ধরে বকেয়া পড়ে আছে বলে স্থানীয় আড়তদাররা টাকা দিতে পারছেন না। ফলে ব্যবসায়ীরা মূলধনের ঘাটতির মধ্যে কীভাবে চামড়া কিনবেন তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

উল্লাপাড়ার হাটিকুমরুলে (সিরাজগঞ্জ রোড পয়েন্ট) মোট ২৮টি চামড়ার আড়ত রয়েছে। এখানকার আড়তে সারা বছরই পশু চামড়া কেনাবেচা করা হয়। এর সঙ্গে জড়িত আছেন ২০৭ জন ব্যবসায়ী। এসব আড়ত থেকে কোরবানির এক-দুই দিন আগে ফড়িয়া শ্রেণির মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীদের চালান সহায়তা দেওয়া হয়ে থাকে। এজন্য আড়তের মহাজনেরা চামড়ার মোটামুটি দরদামও বেঁধে দেন।

উপজেলা সদরের শ্যামলীপাড়ায় এমন কয়েকটি চামড়ার আড়ত রয়েছে। গত তিন থেকে চার দিন থেকে বিভিন্ন এলাকার ফড়িয়া ব্যবসায়ীরা আড়তগুলোর মহাজনদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছেন। উল্লাপাড়ার পশ্চিমাঞ্চলের তিনটি ইউনিয়নের গ্রামগুলোয় কোরবানির পশুর চামড়া অত্যন্ত নিম্নদরে কেনাবেচা হয়ে থাকে। গত তিন বছর থেকেই এই অবস্থা। এ গ্রামগুলো থেকে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা চামড়া কিনে থাকেন। একাধিক ফড়িয়া ব্যবসায়ী জানান, তারা অন্য পেশায় কাজ করে থাকেন।

হাটিকুমরুলে চামড়া ব্যবসায়ী কল্যাণ সংস্থা নামের একটি সংগঠন রয়েছে। উল্লাপাড়াসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার চামড়া ব্যবসায়ী মহাজনরাই এই সংস্থাটির সদস্য। সংস্থার সভাপতি মো. মানিক মিয়া জানান, এখানকার বেশির ভাগ ব্যবসায়ী মূলধনের ঘাটতিতে আছেন। নাটোরসহ অন্য এলাকার মহাজনদের কাছে তারা প্রায় আড়াই কোটি টাকা পাবেন। তাদের এ পাওনা প্রায় তিন বছরের।

"