কোরবানি

উল্লাপাড়ায় হাটে তোলার অপেক্ষায় ১৫ হাজার গরু

প্রকাশ : ২০ জুলাই ২০১৯, ০০:০০

সাহারুল হক সাচ্চু, উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ)

আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারী ও গৃহস্থরা। তাদের পালিত গরুগুলো বিক্রি করতে হাটে তোলার অপেক্ষায় আছেন তারা। চলতি বছর উল্লাপাড়ার বিভিন্ন গ্রামে কোরবানীর ঈদকে টার্গেট করে খামারী ও গৃহস্থ পরিবারগুলো দেশি ষাড় গরু বেশি পালন করেছেন। স্থানীয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যে, কোরবানী ঈদে বিক্রি হবে এমন ১৫ হাজার ৯০টি গরু পালন চলছে পুরো উপজেলায়। খামারী ও গৃহস্থরা গরুগুলোকে এখন খাদ্যের জোরালো যোগান দিচ্ছেন। তবে, এবার গরু লালন পালনে খরচ বেশি হয়েছে বলে জানান খামারী ও গহস্থরা।

স্থানীয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যে, গোটা উপজেলায় ২ হাজার ৭১০টি খামার রয়েছে। এসব খামারে ষাড় ১০ হাজার ৮৭৫টি ও ৪ হাজার ২১৫টি বলদ রয়েছে। পাশাপাশি প্রায় সব গ্রামেই সাধারণ পরিবারগুলো এক দু’টি করে গরু পালন করছেন।

উল্লাপাড়া গ্যাস লাইন মহল্লার খামারী রিমন হোসেন জানান, তার দু’টি গোখামার রয়েছে। মোট ১১টি ষাড় গরু পালন করছেন। সবগুলো দেশি জাতের। প্রায় এক বছর ধরে গরু গুলো পালন করা হচ্ছে।

রিমন হোসেন আরো বলেন, বর্তমানে গরুগুলোর খাদ্যের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছেন। প্রতিদিন একেকটি গরুর পিছনে খাদ্য বাবদ সাড়ে তিনশ টাকা খরচ করা হচ্ছে বলে জানান। তবে মোটা তাজাকরণে কোন ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার করছেন না বলে জানান তিনি।

পংরৌহা গ্রামের আব্দুল মজিদ সরকার দেশিয় বড় জাতের ৬টি ষাড় গরু পালন করছেন। খইল, ভুষিসহ অন্যান্য খাদ্যের দাম অনেক বেশি হওয়ায় খরচ বেশি হচ্ছে। অনেক দোকানিই নানা ছুতোয় খাদ্যের দাম ১০-২০ টাকা বেশি নিচ্ছে।

একই মহল্লার সেফাত আলী জানান, তার খামারে দেশিয় জাতের মোট ১৩টি ষাড় গরু পালন করা হচ্ছে। আড়াই মাস আগে গরুগুলো কিনেছেন। সব চেয়ে কম এক লাখ বিশ হাজার টাকায় একটি আর বাকিগুলো আরো বেশি দামে কেনা হয়েছে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোর্শেদ উদ্দীন আহম্মেদ বলেন, কোন খামারী যেন গরু মোটা তাজা করণে ক্ষতিকর স্টেরয়েড ধরনের ওষুধ ব্যবহার না করে এজন্য মাঠ পর্যায়ে খামারী ও গৃহস্থদের সচেতন করা হচ্ছে। কোন দোকানে স্ট্রেরয়েড জাতীয় ওষুধ বিক্রির প্রমাণ মিললে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

"