দৌলতদিয়া ঘাটে পণ্যবোঝাই ট্রাকের সারি

প্রকাশ : ১১ জুলাই ২০১৯, ০০:০০

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি

‘যশোরের বেনাপোল থেকে নারায়ণগঞ্জে যাওয়ার জন্য ১৮ হাজার টাকায় ভাড়া নেওয়া হয়েছে। কিন্তু দৌলতদিয়া ঘাটে তিন দিন ফেরি পারের অপেক্ষায় থেকে টাকা শেষ হয়ে গেছে। তাহলে মালিকের দেবো কি, আর আমি নিজে পাব কি?’ ভাঙা ভাঙা কণ্ঠে কথাগুলো বলেন ট্রাকচালক ইমতিয়াজ সরদার।

ট্রাকচালক ইমতিয়াজের মত দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরি পারের অপেক্ষায় রয়েছে প্রায় ৪ শতাধিক বিভিন্ন প্রকার পণ্যবাহী ট্রাক। এতে ব্যবসায়ী ও যানবাহন মালিকদের আর্থিক লোকসান গুনতে হচ্ছে। গতকাল বুধবার সকালে দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে তীব্র ¯্রােতের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ফেরিগুলোর স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দ্বিগুন সময় ব্যয় হচ্ছে নদী পারাপার হতে। এদিকে এই রুটে ২টি ফেরি বিকল থাকায় পাটুরিয়া ভাসমান কারখানায় মেরামত করা হচ্ছে। বাকি ১৩টি ছোট বড় ফেরি চলাচল করছে। দৌলতদিয়া ৬টি পন্টুন রয়েছে। ফেরি সংকট ও ¯্রােতের কারণে ফেরি ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে মহাসড়কের প্রায় ৪ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ট্রাকের একাধিক সারি রয়েছে।

ব্যবসায়ী সুশান্ত কান্ত বলেন, আমরা সারাবছর ব্যবসা করি। কিন্ত দৌলতদিয়া ঘাটের অব্যবস্থাপনার কারণে প্রতিনিয়ত লোকসান গুনতে হয়। যে কারণে অনেকে ব্যবসা পরিবর্তন করছে। তিনি বলেন, দৌলতদিয়া ঘাটে বসে থাকার কারণে অর্থ ও সুনাম নষ্ট হয়ে যায়। এর পরিবর্তন হওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতয়িা শাখার ব্যবস্থাপক মো. আবু আব্দুল্লা বলেন, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে বর্তমান ১৩টি ছোট বড় ফেরি চলাচল করছে। ২টি ফেরি বিকল রয়েছে।

যে কারণে দৌলতদিয়া ঘাটে কিছু যানবাহন ফেরি পারের অপেক্ষায় রয়েছে।

 

"