কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

অ্যাম্বুলেন্স আছে চালক নেই!

প্রকাশ : ১৪ জুন ২০১৯, ০০:০০

কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স আছে দুটি, কিন্তু চালক নেই একজনও। এ কারণে জরুরি ভিত্তিতে রোগী বাইরে নিয়ে যেতে হলে স্বজনদের পোহাতে হয় চরম ভোগান্তি। দুই সপ্তাহ ধরে এমন অবস্থা বিরাজ করছে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। হাসপাতালের টিএইচএ বলছেন, জরুরি মুহূর্তে রোগীর জন্য অ্যাম্বুলেন্স সেবা না পাওয়াটা কষ্টদায়ক।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অ্যাম্বুলেন্সের চালক ছাড়পত্র নিয়ে সিভিল সার্জন অফিসে যোগদান করায় পদটি শূন্য হয়। এরপর গত ১ জুন কামরুজ্জামান নামের একজন চালক যোগদান করেই দুই দিনের ছুটি নেন। কিন্তু ছুটি কাটিয়ে এখনো কর্মস্থলে যোগ দেননি তিনি। এ কারণে গত ৩ ও ৯ জুন তার বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিস প্রদান করা হয়েছে।

এদিকে গত ১ থেকে ১১ জুন পর্যন্ত জরুরি বিভাগ থেকেই মোট ৭ জন এবং ভর্তিকৃত রোগীর মধ্যে ১১ জন মিলে মোট ১৮ জন রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। রেফার্ডকৃত এক রোগীর স্বজন শাহিন হোসেন জানান, অবস্থার অবনতির কারণে এ হাসপাতাল থেকে তার এক আত্মীয়কে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। কিন্তু অ্যাম্বুলেন্সের চালক না থাকায় বাধ্য হয়ে শহরের একটি মাইক্রোবাস ১ হাজার ৭০০ টাকায় ভাড়া করে যশোর যেতে হয়েছে। তিনি বলেন, গুরুতর মুহূর্তে টাকা বড় কথা নয়, দ্রুত পৌঁছানো বেশি প্রয়োজন। সে ক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্স নিতে পারলে একদিকে টাকা সাশ্রয় হতো অন্যদিকে রোগী নিয়ে দ্রুত পৌঁছানো যেত।

জানতে চাইলে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচএ ডা. হোসাইন সাফায়েত জানান, নতুন অ্যাম্বুলেন্স চালক যোগদান করেই তিনি আর কর্মস্থলে আসেননি। অফিসিয়ালি এ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে দুটি কারণ দর্শানো নোটিস করা হয়েছে। তিনি বলেন, জরুরি মুহূর্তে রোগীর জন্য অ্যাম্বুলেন্স সেবা না পাওয়াটা কষ্টদায়ক ব্যাপার। তাই তিনি এ সমস্যা দ্রুতই কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন।

 

"