তাড়াশে কৃষিশুমারিতে লোক নিয়োগে অনিয়ম

প্রকাশ : ১৩ জুন ২০১৯, ০০:০০

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে কৃষি শুমারিতে লোক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। চূড়ান্ত তালিকাকে আড়াল করে স্বজনপ্রীতি ও অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং ইউএনও বরাবর লিখিত দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। পরিসংখ্যান অফিস সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো পরিচালিত আসন্ন ন্যাশনাল হাউজহোন্ড ডাটাবেইজ শুমারি ২০১৯ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সুপারভাইজার পদে ২১ জন, গণনাকারী পদে ২১০ জন, জোনাল পদে ৩ জন অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কৃষি শুমারি কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য উপজেলা পরিসংখ্যান কার্যালায় থেকে প্রতিটি ইউনিয়নে শিক্ষিত ও যোগ্য লোক নিয়োগের জন্য ইউপি চেয়ারম্যানদের জানানো হয়। সেই মোতাবেক আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করেন। তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে একটি চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা হয়। কিন্তু উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন ‘স্বজনপ্রীতি’ ও ‘অর্থের বিনিময়ে’ চূড়ান্ত তালিকাকে আড়াল করে ভুয়া তালিকা তৈরি করে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রতিটি গ্রামে ২ জন করে গণনাকারী নেওয়া বিধান থাকলেও ওই কর্মকর্তা দেশীগ্রাম ইউনিয়ন থেকে ৮ জন, মাকরশোন ও কামারশোন গ্রাম থেকে ৩২ জনসহ ২১০ জন গণনাকারী নিয়োগ দেন। চূড়ান্ত তালিকাভুক্ত প্রার্থী অভিযোগকারীরা পরিসংখ্যান কার্যালয়ে জানতে গেলে তাদের অশ্লীল ভাষায় গালি-গালাজ করে কক্ষ থেকে বের করে দেওয়া হয়।

গালাগালি ও অর্থ লেনদেন বিষয় অস্বীকার করে পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন বলেন, এমপি মহদ্বয়ের সুপারিশে তার নিজ গ্রাম ও অন্যান্য এলাকা থেকে কিছু লোক নিয়োগ করা হয়েছে।

ইউএনও ইফফাত জাহান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

"