দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুট

স্পিটবোডে বাড়তি ভাড়া লঞ্চে যাত্রীর চাপ

প্রকাশ : ১২ জুন ২০১৯, ০০:০০

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের অপেক্ষা লঞ্চঘাটে যাত্রীর চাপ বেশি। সেই সঙ্গে দৌলতদিয়া থেকে পাবনার কাজীর হাট নৌরুটে ঈদের কয়েকদিন থেকে শুরু করে এখনো বাড়তি ভাড়া আদায়ের করা হচ্ছে। এ নিয়ে বাধা দিলে যাত্রীদের সাথে নৌরুটের শ্রমিকরা অসদাচরণ কারারও আছে।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে সরজমিনে দেখা যায়, দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের চেয়ে লঞ্চঘাটে অপেক্ষমান যাত্রীদের চাপ বেশি। তবে কর্তৃপক্ষ লঞ্চঘাটে মাথায় বাঁশ বেধে আটকে দিয়ে যাত্রীদের ফেরিতে যেতে বাধ্য করছিল। এ সময় ফেরিতে গাড়ীর সংখ্যা কম থাকলেও যাত্রীতে পরিপূর্ণ দেখা যায়।

মাগুরা, যশোহর, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া থেকে আসা লঞ্চ পারাপারে ঢাকাগামী যাত্রী রুবেল হোসেন, মোবারক আলী, আ. জব্বার, ফরিদুল ইসলাম জানান, আবাহওয়া ভালো, তাই দ্রুত নদী পার হওয়ার জন্য তারা লঞ্চে যেতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন। তবে লঞ্চ বন্ধ থাকায় ফেরিতে যাচ্ছেন।

এদিকে গোয়ালন্দ-দৌলতদিয়ার সঙ্গে পাবনা জেলার যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম নৌ-পথ। এ রুটে দৌলতদিয়া থেকে কিছু লঞ্চ চলাচল করলেও অবাধে স্প্রিড বোট চলাচল করে। এতে লঞ্চ সার্ভিস এক পর্যায়ে বন্ধ হয়ে গেছে। এ সুযোগে বোটের চালকরা ইচ্ছা মাফিক মূল্য লিখে টিকিট তৈরি করে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন। এ ব্যাপারে বাঁধা দিলে বোট চালকরা যাত্রীদের সঙ্গে অসদাচরণ করে। এক্ষেত্রে প্রভাবশালী মহলের ছত্র-ছায়ার থাকারও অভিযোগ আছে।

ভুক্তভোগি যাত্রীরা জানান, দৌলতদিয়া-কাজীরহাট রুটে সরাসরি লঞ্চ না চলার সুযোগে স্থানীয় স্পিডবোট মালিকরা স্বাভাবিক সময়ে দৌলতদিয়া থেকে কাজীরহাট যেতে যাত্রী প্রতি ২৫০ টাকা আদায় করে। ঈদ উপলক্ষে নতুন টিকিট ছাপিয়ে আদায় করছে ৩০০ টাকা করে।

জানতে চাইলে দৌলতদিয়া লঞ্চঘাট এলাকায় স্পিডবোটের টিকিট বিক্রেতা হালিম বেপারী ও আলম মেম্বার জানান, ঈদ উপলক্ষে ৫০ টাকা বাড়তি ভাড়া নিলেও তা সবার থেকে আদায় করা হয় না। গরীব ও সাধারণ মানুষকে ছাড় দিয়ে কখনো কখনো ভাড়া কমও নেওয়া হয়।

রাজবাড়ী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কেবিএম সাদ্দাম জানান, লঞ্চ ও ট্রলার স্পিডবোট চলে ব্যক্তি মালিকানায়। যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া আদায়ের বিষয়টি জানা নেই। তবে খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।

 

"