তিন স্থানে সংঘর্ষে ৪৪ জন আহত

প্রকাশ : ১০ জুন ২০১৯, ০০:০০

প্রতিদিনের সংবাদ ডেস্ক

রাজশাহীর বাগমারায় খড়ের পালা দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় নারীসহ ১০ জন আহত হয়েছে। মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার খর্দ্দফুলবাড়ি এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আওয়ামীলীগের দুইপক্ষের সংঘর্ষে ২০ জন আহত, ২৫টি দোকান ও ঘর ভাংচুর ঘটেছে। গতকাল রোববার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার পরমেশ্বরর্দী গ্রাম ও পার্শ্ববর্তী সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউপির খারদিয়া গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষে ১৪ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। গত শনিবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘন্টা ব্যাপি এ সংঘর্ষ চলে।

বাগমারা (রাজশাহী) : রোববার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে উপজেলার গনিপুর গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে নুর আলী (৩০) বাড়ির পাশের ভোগদখলী জমিতে খড়ের পালা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় প্রতিবেশী ইয়াকুব আলী ও ছেলে মজনুর রহমান বাঁধা দিয়ে হামলা চালায়। পরে নুর আলীর মা ফাইমা বিবি (৫০) ও স্কুল পড়–য়া বোন রিতা খাতুন (১৪) তাদের উদ্ধার করতে গিয়ে হামলার শিকার হন। ইতিপূর্বে এই জমি নিয়ে একাধিক গ্রামীণ শালিস সমান হয়েছে।

মহম্মদপুর (মাগুরা) : পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, খর্দ্দফুলবাড়ি এলাকার আওয়ামীলীগ নেতা শিমুল ও একিনের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল। এর জের ধরে গত শনিবার সন্ধ্যায় চায়ের দোকানে শিমুল সমর্থক শওকত ও একিন সমর্থক ফুলমিয়ার মধ্যে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়। এ সময় একটি বসতঘর ও একটি দোকান ভাংচুর হয়। পরে ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে রোববার ভোরে দুইপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে গুরুতর আহতদের ফরিদপুর, মাগুরা সদর ও মহম্মদপুর উপজেলা চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। মহম্মদপুর থানার ওসি মো. রবিউল হোসেন ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বোয়ালমারী (ফরিদপুর) : পরমেশ্বর্দী গ্রামের আইয়ুব খন্দকার ও সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান মো. নুরুল আলম মিনা জানান, শনিবার পরমেশ্বর্দী গ্রামের কবির খন্দকারের ছেলে মারুফ খন্দকার বরযাত্রী নিয়ে পার্শ্ববর্তী সালথা উপজেলার সোনাতন্দী গ্রামে যাওয়ার পথে ভাড়া করা সাখাওয়াত হোসেনের মাইক্রো নষ্ট হয়ে যায়। এতে ডাইভার সাখাওয়াত মারপিটের জের ধরে গাড়ির মালিক খারদিয়া গ্রামের ফরিদ হোসেনের ২০-২৫জন লোক বরযাত্রীদের ওপর হামলা করে। এর জের ধরে দুই গ্রামবাসি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে সালথা ও বোয়ালমারী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ১৪ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে। এ সময় পুলিশের ৪ এসআই সহ কমপক্ষে ১৪জন আহত হয়েছে। এ সময় পরমেশ্বর্দীর উজিরপুর ঘাটবাজারে ৮টি দোকান ও ৪টি বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

 

 

"