মুঠোফোনে প্রেমের সম্পর্ক ধরে নড়াইলে দলবদ্ধ ধর্ষণ

প্রকাশ : ০৯ জুন ২০১৯, ০০:০০

নড়াইল প্রতিনিধি

মুঠোফোনে প্রেমের সূত্র ধরে নড়াইলে এসে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হওযার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঈদের দিন কথিত প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে এসে ধর্ষণের শিকার হন খুলনার দৌলতপুরের ওই কিশোরী। এ ঘটনায় কথিক প্রেমিকসহ দুইজনের বিরুদ্ধে লোহাগড়া থানায় মামলা করেছেন ভূক্তভোগির মা। অভিযুক্ত কতিথ প্রেমিক রাজিব বিশ্বস (২৮) মাদারীপুরের রাজৈর থানার সদর এলাকার তোতা মিয়ার পূত্র। লোহাগড়া ও খুলনা দৌলতপুর থানা এবং মামলা সূত্রে জানা গেছে, এক বছর আগে মুঠোফোনে মাদারীপুরের রাজৈরের তিন সন্তানের জনক রাজিবের সঙ্গে খুলনার দৌলতপুর থানার স্কুল ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর সূত্র ধরে গত বুধবার ঈদের দিন সকালে ওই কিশোরি ফোন দিলে রাজিব তাকে দৌলতপুরের পার্শ্ববর্তী নড়াইলের কালিয়া থানার বড়দিয়ায় আসতে বলেন। দুপুরে কিশোরী ৬-৭ বছরের খালাতো ভাইকে নিয়ে বড়দিয়া বাজারে রাজিবের সঙ্গে দেখা করে। সারা দিন বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরির পর সন্ধ্যার পর পার্শ্ববর্তী দিঘলিয়া ইউনিয়নের দিঘলিয়া পাম্পের পার্শ্বে রাজিবের এক চাচা শ্বশুরের পরিতক্ত বাড়িতে নিয়ে যান। রাত ৮টা থেকে পরদিন ভোর ৫টা পর্যন্ত বাড়ির রান্না ঘরে রাজিব ও তার বন্ধু কিশোরীকে পালাক্রম ধর্ষণ করে। পরদিন সকালে লক্ষ্মিপাশা বাজারে ওই মেয়ের হাতে একশ টাকা দিয়ে যাত্রীবাহী বাসে তুলে দেয়।

খুলনা দৌলতপুর থানার ওসি কাজী মোস্তাক আহম্মেদ (পিপিএম) জানান, ঈদের পর দিন ওই মেয়ের পরিবার দৌলতপুর থানায় এসে ধর্ষণের ঘটনা জানায়। ঘটনাস্থল লোহাগড়া থানা এলাকায় হওয়ায় ওই থানার ওসির সঙ্গে কথা বলি এবং ভূক্তভোগিদের যোগাযোগ করতে বলি।

লোহাগড়া থানার ওসি মো. মোকাররম হোসেন বলেন, এ ঘটনায় ভূক্তভোগির মা শুক্রবার বিকেলে মাদারিপুরের রাজিব বিশ্বাস ও অজ্ঞাত এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু দমন আইনে মামলা হয়েছে। এছাড়া ভূক্তভোগিকে ডাক্তারি পরীক্ষার কাজ চলছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

 

"