ঢাকা-বান্দুরা রোড

ঈদ এলেই অতিরিক্ত ভাড়া আদায়

প্রকাশ : ০৮ জুন ২০১৯, ০০:০০

নবাবগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি

ঈদকেন্দ্র করে ঢাকার গুলিস্তান থেকে নবাবগঞ্জের বান্দুরা রোডে চলাচলকারী এন. মল্লিক পরিবহন বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা। প্রতিবছর ন্যায় এবারও তারা যাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করেছেন। যাত্রীরা এর প্রতিবাদ করলে বাস স্টাফদের হাতে নাজেহাল হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। একই অভিযোগ পাওয়া গেছে অপর পরিবহন সংস্থা যমুনা’র বিরুদ্ধে। প্রকাশ্যে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলেও এখনো প্রশাসনকে কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।

সরেজমিনে এন. মল্লিক পরিবহনের একাধিক যাত্রীর সঙ্গেথ কথা বলে জানা যায়, অনেকটা জোর করেই অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। ঈদে বাসায় আসতে হবে আবার ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফিরে যেতে হবে। তাই বাধ্য হয়েই অতিরিক্ত ভাড়ায় যাতায়াত করছেন তারা। অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে প্রতিবাদ করলে বাস স্টাফদের হাতে নাজেহাল হতে হয় বলে অভিযোগ যাত্রীদের।

বান্দুরা থেকে ঢাকার দূরত্ব আনুমানিক ৩৬-৩৮ কিলোমিটার। এই দূরত্বে জন্য নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হয় ৮০ টাকা। ঈদ উপলক্ষে এখন ভাড়া দাঁড়িয়েছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা। ঈদের আগের দিন মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া এই ভাড়া গতকাল শুক্রবারও আদায় করা হচ্ছে।

এন. মল্লিকের নিয়মিত যাত্রী ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম বলেন, ঈদের আগের দিন বাসায় এসেছি আমার কাছ থেকে ১০০ টাকা ভাড়া বাবদ নিয়েছে। দুই-একজন যাত্রী অতিরিক্ত ভাড়ার ব্যাপারে প্রতিবাদ করলে তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে বাসের স্টাফরা। প্রতিবছরই ঈদ এলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হয়। এ ব্যাপারে প্রশাসনের আগে থেকেই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

বাসযাত্রী জুয়েল বেপারী বলেন, ঈদের আগেরদিন ঢাকা থেকে এসেছি ভাড়া দিতে হয়েছে ১০০ টাকা। আজ শুক্রবার ঈদের তৃতীয়দিন ঢাকা যাব আজও ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ১০০ টাকা করে। যারা প্রতিবাদ করছে তাদের টিকেট দেওয়া হচ্ছে না। অনেকটা মগের মুল্লুক। আসলে ঢাকা-বান্দুরা রোডে এন. মল্লিকের স্বেচ্ছাচারিতায় অন্য পরিবহনগুলো সার্ভিস দিতে পারে না। তাই বিকল্প পরিবহন না থাকায় মানুষ বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়েই যাতায়াত করছে।

যাত্রীদের অভিযোগ, ভাড়ার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলেই সুপারভাইসাররা দুর্ব্যবহার করে। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় হেলপাররা। ওদের ব্যবহার দেখলে মনে হয় ওরা যাত্রীদের ফি সার্ভিস দিচ্ছে। এ ব্যাপারে এন. মল্লিকের কর্ণধার নার্গিস মল্লিক মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেনি।

 

"