চট্টগ্রামে নূপুর এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

প্রকাশ : ২৫ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০

চট্টগ্রাম ব্যুরো

নূপুর এন্টারপ্রাইজ নামে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ব্যবসায়ী শাহেদ আজগর চৌধুরীর বিরুদ্ধে। তিনি নিজেকে ওই প্রতিষ্ঠানের এমডি বলেও দাবি করেন। ওই কোম্পানির কোনো কার্যক্রম না থাকা সত্ত্বেও তিনি এমডি হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় স্বাক্ষর করে ৭২৮টি দোকান ও অফিস স্পেসের ভাড়া এবং টাকা ট্রান্সফার ফি গ্রহণ করেন। নিজেকে এমডি দাবি করে বিভিন্ন ব্যাংক সংস্থায় পরিচয় প্রদান করে কাগজে স্বাক্ষর করেন। যা এক ধরনের প্রতারণা। তিনি চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি। গতকাল বুধবার প্রেস ক্লাব এস রহমান হলে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন ডা. আহমদ ফয়সাল চৌধুরী।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, তার পিতা ওয়াজেদ আজগর চৌধুরী, তারা চাচা শাহেদ আজগর চৌধুরী, রাশেদ আজগর চৌধুরী ও মোরশেদ আজগর চৌধুরীসহ ১৯৭৪ সালে ৩৭ গন্ডা জায়গার ওপর নূপুর এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠান গঠন করে। বিগত ২২ বছর ভালোভাবে চলে আসলেও ১৯৯৬ সালে পর কোনো অডিট, রিটার্ন জমা, বোর্ড মিটিং না হওয়ায় কোম্পানির কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়ে। তখন ওই প্রতিষ্ঠানের অন্য পরিচালকগণ কার্যক্রম থেকে সরে পড়েন।

তিনি বলেন, ওই প্রতিষ্ঠানের ৭২৮টি দোকান ঘর রয়েছে। যার থেকে প্রতি মাসে ভাড়া আসে ১০ লাখ টাকা। যার সবই শাহেদ আজগর চৌধুরী তার ব্যক্তি অ্যাকাউন্টে জমা করেন। সেই হিসেবে তিনি কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। সাংবাদিকের এক প্রশ্নে ফয়সাল বলেন, এ বিষয়ে মামলা হয়েছে। ওই সম্পত্তিতে আমার পিতা ওয়াহেদ আজগর চৌধুরীর অংশ আছে সেই হিসেবে আমরাও ওই প্রতিষ্ঠানের অংশীদার। কিন্তু আমরা কিছু দোকানের ভাড়া তুললেও তিনি লোকবল নিয়ে ব্যবসায়ীদের দোকান থেকে বের করে দিয়ে দোকান ভাঙচুর করেন। আমরা থানায় অভিযোগ করলে প্রশাসনের কাছে কোনো বিচার পাইনি। এদিকে নূপুর মার্কেটের ২য় তলায় ওই প্রতিষ্ঠানের ৪০২২ বর্গফুট স্পেস এমডি শাহেদ আজগর চৌধুরী আবুল কাশেম নামে এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন। দুটি মামলায় শাহেদ আজগর চৌধুরী ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি।

 

"