আমতলীতে জমে উঠেছে শেষ চৈত্রের বাজার

প্রকাশ : ১৩ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

পুরোনো বছরকে বিদায় জানাতে আর নতুন বর্ষবরণে বরগুনার আমতলীতে চৈত্রের শেষের দিকে জমে উঠেছে বৈশাখী বাজার। ক্রেতাদের ভিড়ে দম ফেলার ফুসরত নেই বিক্রেতাদের। তাই বাজারের বিপণিবিতানগুলো যেন নতুন করে ফিরে পেয়েছে প্রাণচাঞ্চল্যতা।

বেশাখ মানে আনন্দ, বৈশাখ মানেই উৎসব। জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষই মেতে উঠবে বৈশাখী উৎসবে। আর এ উৎসবে মেতে উঠতে সবারই চাই নতুন পোশাক। তাই পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে বাংলার আবহে তৈরী ফতুয়া, পাঞ্জাবি, থ্রিপিস, শাড়ি ও লুঙ্গিসহ বিভিন্ন পোষাকের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানীরা। আবার অনেক ব্যবসায়ী দোকানের সামনে কিংবা ফুটপাতে বসিয়েছেন বাহারী রংয়ের পোষাকের পসরা।

উপজেলার মহিষকাটা, গাজীপুর, অফিস বাজার, গুলিশাখালীসহ গ্রামগঞ্জের সব পোশাকের দোকান এবং পৌর শহরের দোকানগুলোতে বিক্রির ধুম পড়েছে। অনেক দোকানী দিয়েছেন বড় আকারের মূল্যহ্রাস। তাই এই মূল্যহ্রাসে প্রত্যেক ক্রেতা নিজের পছন্দের পোষাকটি কিনে নিতে ব্যস্ত। শিশু, বৃদ্ধ, কিশোর সবাই ব্যস্ত কেনাকাটায়। তবে সব বিপনী বিতানগুলোতেই নারী ক্রেতাদের ভীড় একটু বেশী। আর এ ক্রেতাদের ভিড়ে আমতলীতে জমে উঠেছে বৈশাখী বাজার।

এদিকে বৈশাখী ছাপ পড়েছে মাছ বাজার থেকে শুরু করে কাচা বাজারেও। বৈশাখে ইলিশের কদর একটু বেশী। বছরের পুরো সময় ইলিশের দাম স্বাভাবিক থাকলেও বৈশাখী হাওয়ায় হু-হু করে বেড়ে দাড়ায় দ্বিগুন। বাজারে প্রতি কেজি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে দেড় থেকে দুই হাজার টাকায়। কাচা বাজারেও বেড়েছে বিভিন্ন সবজির দাম।

আমতলী পৌর শহরের ব্যবসায়ী মাতৃছায়া ব¯্র বিতানের মালিক জি এম মুসা বলেন, বৈশাখকে কেন্দ্র করে বেচা-বিক্রি ভাল। হলদিয়া থেকে স্ব-পরিবারে আসা ক্রেতা পারভেজ মিয়া বলেন, পোশাকের দাম হাতের নাগালে। তাই পরিবারে সবাই মিলে কেনাকাটা করছি।

আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবুল বাশার বলেন, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে দোকান পাঠসহ সকল স্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে । আমতলী পৌরসভার মেয়র মো. মতিয়ার রহমান বলেন, পহেলা বৈশাখ বাঙালিদের একটি চিরাচায়িত প্রাচীন ঐতিহ্য। এ উৎসবকে রাঙিয়ে তুলতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

 

"