রানীশংকৈলে সড়কের পাশে ঝুঁকিপূর্ণ মরা গাছ

প্রকাশ : ১৩ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০

রানীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলার শান্তিপুর থেকে কাঠালডাঙ্গী যাওয়ার হাজ্বী মোড় এলাকায় সড়কের পাশে ৪০ফিট উচ্চতার মৃত প্রায় একটি গাছ কোন রকম দাঁড়িয়ে আছে। যে কোন সময় ঝড়ে দুমড়ে মুচড়ে পড়বে গাছটি। তবে ব্যাস্ততম সড়কের ওপর গাছটি ভেঙে পড়লে প্রাণহানির মতো বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার শঙ্কায় আছেন স্থানিয়রা।

সম্প্রতি সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার হাজ্বী মোড় নামক এলাকায় এলজিইডির আওতাধীন সড়ক ঘেষে একটি প্রাচীন শিমুল গাছ তার মুল গোড়া থেকে উচ্চতার শেষ পর্যন্ত শুকিয়ে বিশাল দেহের ডালপালা নিয়ে কোন রকম দাঁড়িয়ে রয়েছে। এর নিচ দিয়েই প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ বিভিন্ন বাহন নিয়ে চলাচল করে। তাছাড়া উপজেলার একমাত্র সরকারী বিনোদন কেন্দ্র রামরায় দিঘী এ সড়ক দিয়েই যেতে হয়। সে হিসেবে সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এলাকাবাসী জানান, কিছুদিন আগে আমাদের এলাকার বাসিন্দা পান তার মাকে নিয়ে মোটর সাইকেল যোগে যাওয়ার পথে তাদের পিছনে একটি মোটা ডাল ভেঙে পড়ে অল্পের জন্য তারা রক্ষা পায়। তাদের ধারণা গাছটির বর্তমান যে অবস্থা তাতে এ গাছের ডাল পালা যখন তখন ভেঙে প্রাণহানির মতো বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই দ্রুত গাছটি কেটে নেওয়ার জন্য দাবি জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি।

খোজ নিয়ে জানা যায়, একই সড়কে আরো বেশ কয়েকটি এমন মৃত ও শুকনো গাছ রয়েছে এর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো শান্তিপুর টিএমএস এস অফিস সংলগ্ন সড়ক ঘেষে কদমপুর সড়ক ঘেষে ২টি আম গাছ। গাছগুলো যেকোন সময় সড়কের উপর লুটিয়ে পড়তে পারে। এতে প্রাণহানিসহ নানান দূর্ঘটনা ঘটার সম্ভবনা রয়েছে। স্থানীয় সরকার অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, সড়কটি তাদের দপ্তরের হলেও গাছ জেলা পরিষদের অধীনে, তবে তারা চাইলে গাছগুলো কেটে পথচারীদের বিপদ মুক্ত করতে পারে।

এ প্রসঙ্গে জেলা পরিষদের সদস্য এখলাসুর রহমান লিটন বলেন, ‘গাছগুলো আসলেই বিপদজনক অবস্থায় রয়েছে। জেলা পরিষদের মাসিক সভায় বিষয়টি উপস্থাপন করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে উপজেলা পরিষদের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না মুঠোফোনে বলেন, ‘মানুষের বিপদ হতে পারে এ ধরনের মৃত গাছ আসলে সড়কে রাখা ঠিক হবে না। যেহেুতু গাছগুলো জেলা পরিষদের আওতায় তাই আমি জেলা পরষিদের চেয়ারম্যান মহোদয়ের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত এ গাছগুলো অপসারণের চেষ্টা করবো।’

 

"