পৃথক স্থানে বজ্রপাতে নিহত ৪

প্রকাশ : ০৯ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০

প্রতিদিনের সংবাদ ডেস্ক

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট, কিশোরগঞ্জের নিকলী, চাঁদপুরের কচুয়া ও কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় বজ্রপাতে চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। গতকাল সোমবার বজ্রপাতের এ ঘটনা ঘটে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ) : ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে আনারুল ইসলাম (৩৫) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলার খন্দকপাড়া গ্রামের নায়েব আলীর পুত্র।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, সোমবার ভোরে ঘুম থেকে উঠে টয়লেটে যায় আনারুল। এ সময় বজ্রপাতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিকলী (কিশোরগঞ্জ) : কিশোরগঞ্জের নিকলীর জোয়ানশাহী হাওরের মোজানল বিলে ছাঁই পেতে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে বিল্লাল হোসেন (৩৮) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি নিকলী সদরের পূর্বগ্রাম জাঙ্গীলহাটির সোবান মিয়ার ছেলে।

এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো সোমবার ভোরে শখের বশে হাওরে ছাঁই পেতে মাছ ধরতে যায় বিল্লাল মিয়া। এ সময় বজ্রপাতে ঘটনা স্থলেই তিনি মারা যান।

কচুয়া (চাঁদপুর) : চাঁদপুরের কচুয়ায় বজ্রপাতে মোসলেম (৫৫) নামের এক কৃষক নিহত হয়েছেন। সোমবার সকালে উপজেলার সাচার ইউনিয়নের ঘুগরার বিলে এই বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। মোসলেম উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের দূর্গাপুর গ্রামের মৃত ফজর আলীর ছেলে।

জানা গেছে, সোমবার সকালে মোসলেম ঘুগরার বিলে ধান খেতের আগাছা পরিস্কার করে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

পেকুয়া (কক্সবাজার) : কক্সবাজারের পেকুয়ার বারবাকিয়া ইউপির পূর্ব জালিয়াকাটায় বজ্রপাতে রিফাত নামের এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত রিফাত ওই এলাকার প্রবাসী রুহুল আমিনের মেয়ে।

জানা গেছে, সোমবার বিকালে আকাশে মেঘ দেখে কিশোরী ও তার দাদা গোয়ালঘরে গরু রাখতে যায়। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাতে দুইজন আহত হয়। উদ্ধার করে পেকুয়ার একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে নিলে চিকিৎসক কিশোরীকে মৃত ঘোষণা করেন।

পেকুয়া থানার ওসি জাকির হোসেন ভূঁইয়া বলেন, এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা করা হবে।

এদিকে ভোলা প্রতিনিধি জানান, ভোলা সদর উপজেলায় বজ্রপাতে মো. ছালাহ উদ্দিন নামের এক কৃষকের দুইটি গরুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার বাপ্তা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ চরনোয়াবাদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। কৃষক ছালাহ উদ্দিনের পাঁচ সন্তানের সংসার এ গাভী দুইটির দুধ বিক্রি করে চালাতেন বলেও জানায় স্থানীয়রা। গরু দুইটির মৃত্যুতে কৃষক ছালাহ উদ্দিন ভেঙ্গে পড়েছেন।

"