দ্বিতীয় ধাপে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

শেষ মুহূর্তের প্রচারে প্রার্থীরা ভোটের ক্ষণগণনা শুরু

প্রকাশ : ১৭ মার্চ ২০১৯, ০০:০০

প্রতিদিনের সংবাদ ডেস্ক

আগামীকাল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পঞ্চম উপজেলা নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ। সে হিসেবে প্রচার-প্রচারণার এখনই শেষ সময়। শেষ সময়ে ভোটরদের মন জয় করতে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন প্রার্থীরা। দ্বিতীয় ধাপে ১২৯টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। এজন্য দলীয় ১২২ চেয়ারম্যান প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছে আওয়ামী লীগ। ইতোমধ্যে ২৩ জন চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান সাধারণ ১২ জন ও সংরক্ষিত ১১ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

মৌলভীবাজার : জেলার ৭টি উপজেলায় ভোটের আমেজ তেমনটা নেই। জেলার সদর উপজেলার নির্বাচনের হাওয়া যেন একেবারেই নীরব। জেলার উপজেলায় চেয়ারম্যান প্রার্থী মোট ২৩ জন। ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) ৩৫ ও ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) ৩০ জন প্রার্থীসহ মোট ৮৮ জন প্রার্থী। জেলার ৫টি পৌরসভা ও ৬৭টি ইউনিয়নে মোট ১০ লাখ ৬২ হাজার ৯১১ জন ভোটার রয়েছেন। মোট ভোট কেন্দ্র ৪১৫ টি। মোট ভোটকক্ষ ২ হাজার ৮০৩টি।

উপজেলা আ.লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. কামাল হোসেন চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হওয়ায় নির্বাচন নিয়ে ভোটরদের তেমন আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। এতে ভাইস-চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন হাফিজ আলাউর রহমান টিপু (চশমা) ও সাবেক ভিপি আব্দুল মতিন (বাল্ব)। মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন শাহীন রহমান (পদœাফুল), মিতা ভূঁইয়া (ফুটবল), মিলি আছিয়া রহমান (প্রজাপতি), রাশিদা খান (কলস)।

রাজনগর উপজেলায় নৌকা প্রতীক দেওয়া হলেও দলের আরো ৩ প্রার্থীরা স্বতন্ত্র হিসেবে প্রতীক নিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। তারা হলেন আ.লীগের আছকির খান, বিদ্রোহী প্রার্থী মিছবাহুদ্দোজা (ভেলাই) সাতির মিয়া, শাহজান খান। রয়েছেন স্বতন্ত্রী প্রার্থী এডভোকেট আব্দুল মতিন চৌধুরী। কুলাউড়া উপজেলায় নৌকা প্রতীক পেয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান আ.স.ম কামরুল ইসলাম। এ উপজেলায় আ.লীগের বিদ্রোহী একে এম শফি আহমদ সলমান ছাড়াও নবাব আলী নকি খান প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। কমলগঞ্জে চেয়ারম্যান পদে আছেন বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় আ.লীগের সদস্য অধ্যাপক রফিকুর রহমান (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী (আ.লীগের বিদ্রোহী) স্থানীয় সংসদ আব্দুস শহীদের ছোট ভাই ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল (আনারস) ও ওয়ার্কার্স পার্টির আব্দুল আহাদ মিনার (হাতুড়ি)। জুড়ী উপজেলায় আ.লীগ সমর্থিত গোলশান আরা মিলি, এমএ মুহিত ফারুক (আ.লীগের বিদ্রোহী) ও কিশোর রায় চৌধুরী মনি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। বড়লেখায় চেয়ারম্যান পদে আ.লীগের মনোনীত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম সুন্দর (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ সিরাজ উদ্দিন (মোটরসাইকেল) এবং ইউপি চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ (ঘোড়া) প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। শ্রীমঙ্গল উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে রনধীর কুমার দেব (নৌকা), আ.লীগের বিদ্রোহী আফজল হক (স্বতন্ত্র) ও আব্দুল কাইয়ুম প্রচারনা চালাচ্ছেন।

গাইবান্ধা : গাইবান্ধার ৭টি উপজেলার মধ্যে গোবিন্দগঞ্জ ও সুন্দরগঞ্জে এ ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। ৫ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ১৯ জন, ভাইস চেয়ারম্যান ৩৬ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে এ নির্বাচনে ব্যাপক হৈ হুলোর চোখে পড়ছে না। প্রার্থীরা দলীয়ভাবে প্রচারণা চালালেও ভোটারদের মধ্যে তেমন কোনো আনন্দ নেই। প্রার্থীরা এখন গাড়ি ছেড়ে মাঠে নেমেছেন সরাসরি ভোটারদের কাছে।

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ভোট কেন্দ্র ১০২টি, মোট ভোটার ৩ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬৫ জন, সাদুল্যাপুরে কেন্দ্র ৬৮টি, মোট ভোটার ২ লাখ ২৩ হাজার ৬৯৫ জন, পলাশবাড়িতে ভোট কেন্দ্র ৬৪টি, মোট ভোটার ১ লাখ ৮৮ হাজার ১৫৯ জন, ফুলছড়িতে ভোট কেন্দ্র ৪৪ টি, মোট ভোটার ১ লাখ ৯ হাজার ৮৬৯ জন, সাঘাটায় ভোট কেন্দ্র ৭৮টি, মোট ভোটার ২ লাখ ৩ হাজার ৮৮৬ জন।

জেলার সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হচ্ছেন সদর উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক আওয়ামী লীগ প্রার্থী পিয়ারুল ইসলাম (নৌকা), আ.লীগ জেলা কমিটির সদস্য বিদ্রোহী প্রার্থী শাহ সারোয়ার কবীর (ঘোড়া), ন্যাশনাল পিপলস পার্টির শফিকুল ইসলাম (আম) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ইস্তেকুর রহমান (আনারস)। এ উপজেলায় মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে পিয়ারুল ইসলাম ও শাহ সারোয়ার কবীরের মধ্যে।

সাদুল্যাপুরে চেয়ারম্যান পদে ৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হচ্ছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী উপজেলা সাধারণ সম্পাদক সাহারিয়া খাঁন (নৌকা), উপজেলা যুবলীগ সভাপতি বিদ্রোহী প্রার্থী আবু সাদাত শাহ মো. ফজলুল হক (মোটর সাইকেল), অপর বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আ.লীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক মতিয়ার রহমান সরকার (কাপ পিরিচ), জাতীয় পার্টি নেতা বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আক্তার বানু লাকি (আনারস) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজার রহমান বিএসসি (ঘোড়া)। এ উপজেলায় মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে সাহারিয়া খান ও আবু সাদাত শাহ মো. ফজলুল হকের মধ্যে।

পলাশবাড়িতে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হচ্ছেন, পলাশবাড়ী উপজেলা আ’লীগের সহসভাপতি ও আওয়ামী লীগ প্রার্থী একেএম মোকছেদ চৌধুরী (নৌকা), জাতীয় পার্টি নেতা মমতাজ উদ্দীন (লাঙ্গল) ও আ’লীগ সদস্য স্বতন্ত্র প্রার্থী বজলার রহমান (আনারস)। এ উপজেলায় মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে একেএম মোকছেদ চৌধুরী ও জাতীয় পার্টি নেতা মমতাজ উদ্দীনের মধ্যে।

ফুলছড়ি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হচ্ছেন ফুলছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিএম সেলিম পারভেজ (নৌকা), উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান বিদ্রোহী প্রার্থী হাবিবুর রহমান (ঘোড়া), সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আ.লীগ নেতা মো. আবু সাঈদ (মোটর সাইকেল) ও আ.লীগ নেতা সৈয়দ মো. বেলাল হোসেন ইউসুফ (দোয়াত কলম)। এ উপজেলায় মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে জিএম সেলিম পারভেজ ও হাবিবুর রহমানের মধ্যে।

এ ছাড়া সাঘাটা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হচ্ছেন সাঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক সামশীল আরেফিন (নৌকা), বর্তমান উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জাতীয় পার্টি নেতা একেএম মমিতুল হক সরকার (লাঙ্গল) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আ.লীগ নেতা জাহাঙ্গীর কবীর (ঘোড়া)। এ উপজেলায় মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে সামশীল আরেফিন ও একেএম মমিতুল হক সরকারের মধ্যে।

এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে সদর উপজেলায় ৫ জন, সাদুল্যাপুরে ৭ জন, ফুলছড়িতে ৬ জন, সাঘাটায় ৯ জন ও পলাশবাড়ীতে ৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সদর উপজেলায় ৬ জন, সাদুল্যাপুরে ৩ জন, ফুলছড়িতে ৪ জন, সাঘাটায় ৭ জন ও পলাশবাড়ীতে ৬ জন।

বোয়ালমারী (ফরিদপুর) : ফরিদপুর বোয়ালমারী উপজেলায় নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণায় জমে উঠছে। নির্বাচনের দিন যতো ঘনিয়ে আসছে ততোই আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বিএনপি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় আওয়ামী লীগ থেকেই চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন দুইজন। স্বতন্ত্র প্রার্থী নুর ইসলাম শিকদার উচ্চ আদালতে রিট করে প্রার্থীতা ফেরত পেয়েছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে সৈয়দ রাসেল রেজা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তাই চেয়ারম্যান পদে তিনজন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে দুইজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আছেন উপজেলা আ.লীগের সভাপতি ও গত দুইবারে চেয়ারম্যান এমএম মোশাররফ হোসেন মুশা মিয়া (নৌকা), আ.লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা যুবলীগের নির্বাহী সদস্য ও উপজেলা কৃষকলীগের যুগ্ম-আহবায়ক মো. মনিরুজ্জামান মৃধা লিটন (আনারস), স্বতন্ত্র প্রার্থী নুর ইসলাম শিকদার (হেলিকপ্টার)।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোছা. রেখা পারভিন (হাঁস) এবং সাবেক উপজেলা ও ইউপি সদস্য পারভিন রহমান (কলস)।

বিয়ানীবাজার (সিলেট) : নির্বাচনের চূড়ান্ত লগ্নে এসে উত্তেজনা ও তৎপরতা বাড়ছে সিলেটর বিয়ানীবাজার উপজেলার প্রার্থী, সমর্থক ও ভোটারদের মাঝে। প্রবাসী অধ্যুষিত বিয়ানীবাজার উপজেলায় ১টি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়নের মোট ভোটার সংখ্যা ১লক্ষ ৭০হাজার ৬শত ১৫জন, রয়েছে ৮৯টি ভোট কেন্দ্র। নির্বাচনে ৬জন চেয়ারম্যান প্রার্থী ছাড়াও ৩জন ভাইস চেয়ারম্যান ও ৩জন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ভোটযুদ্ধে অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে আছেন আ.লীগ মনোনীত প্রার্থী আতাউর রহমান খান (নৌকা), আ.লীগ দলীয় স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকির হোসেন (আনারস), আবুল কাশেম পল্লব (হেলিকপ্টার) ও শামীম আহমদে (মোটর সাইকেল)। এছাড়া আছেন উপজেলা জাতীয় পার্টির একাংশের সহসভাপতি আলকাছ আলী (ঘোড়া), অন্য একাংশের সভাপতি আবুল হাসনাতের দোয়াত কলম।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী হচ্ছেন খছরুল হক খছরু (চশমা), মো. জামাল হোসেন (তালা) ও মামুনুর রশীদ খান (টিয়াপাখি)। এছাড়াও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩জন প্রার্থী হচ্ছেন রোকশানা বেগম লিমা (ফুটবল), হাসিনা আকতার (হাঁস) ও জাহানারা বেগম ছাদিয়া (কলস)।

ফুলপুর (ময়মনসিংহ) : ফুলপুর উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রচারণা চালিয়েছেন মো. আনিছুর রহমান আনিছ। গত শুক্রবার তার সমর্র্থকরা বিভিন্ন গ্রাম থেকে উপজেলা শহরের বাসস্ট্যান্ডে সমাবেশ হতে থাকে। বিকেল ৪টায় সমর্থকরা প্রার্থীকে সঙ্গে নিয়ে বিশাল একটি মিছিল নিয়ে উপজেলা সদরের বিভিন্নœ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আমুয়াকান্দা বাজারস্থ নিজ কার্যালয়ে সামনে এসে শেষে হয়। আনিস বলেন, উন্নয়নের ধারাকে অব্যহত রাখতে আওয়ামী লীগের একজন কর্মী হিসাবে, দলÑমত নির্বিশেষে সকলকে সঙ্গে নিয়ে ফুলপুর উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলায় রূপান্তর করা হবে।

মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) : পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোট চেয়ে গনসংযোগ চালিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান খান মো. আবু বকর সিদ্দিকী। গত শুক্রবার দিনব্যাপী উপজেলার কাকড়াবুনিয়া বাজার থেকে শুরু করে সন্ধ্যায় চাদনী বাজারে গনসংযোগ শেষ করেন। এসময়ে উপজেলা শ্রমিকলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিগন উপস্থিত ছিলেন।

প্রার্থী খান সিদ্দিকী বলেন, আপনাদের কল্যানের জন্য ভাইস চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে ১০ বছর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ করেছি। আপনাদের আবারও সহযোগীতা পেলে মির্জাগঞ্জকে একটি আধুনিক উপজেলা গড়ার লক্ষ্যে নিয়ে কাজ করে যাবো।

রাজৈর (মাদারীপুর) : রাজৈর উপজেলায় আ.লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা আ.লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা এম. এ মোতালেব মিয়া নৌকা প্রতীকে ভোট চেয়ে গণসংযোগ করেছেন। গত শুক্রবার উজেলা ঘোষাল কান্দী শামছুলহক মোল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তবে এ ভোট চান। এতে আরো বক্তব্য দেন মুক্তিযোদ্ধা লেয়াকত আলী শেখ, জেলা যুব লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক কাজি আনোয়ার, মনিরুল ইসলাম, কালাম হাওলাদার, সিরাজ ফকির, মিজান শেখ ও শেখ সাগর হোসেন উজির।

হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) : চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় নির্বাচনের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে বিনাপ্রতিদ্বন্ধিতায় চেয়ারম্যানপদে এস এম রাশেদুল আলম নির্বাচিত হয়েছেন। এ উপজেলায় নির্বাচন হবে পুরুষ ও মহিলা ভাইসচেয়ারম্যান পদে। পুরুষ পদে ৭ জন ও মহিলা পদে ২ জনের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদের দুইজন প্রার্থীই উচ্চ শিক্ষিতা। একজন হলেন উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদা বেগম (হাঁস) ও মোক্তার বেগম মুক্তা (কলস)। পুরুষ ভাইস-চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীরা হলেন নুরুল আলম (মাইক), উদয় কুমার সেন (তালা), এস এম খালেদ চৌধুরী (বৈদ্যুতিক বাল্ব), কাজী মোহাম্মদ আলাউদ্দিন আজাদ (চেয়ার), লায়ন মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন (উড়োজাহাজ), এস এম জহির উদ্দিন (চশমা), সৈয়দ মোস্তাফা আলম (নলকুপ)।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহাকারি রিটানিং অফিসার আরিফুল ইসলাম জানান, নির্বাচনের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় মোট ভোটার ৩ লাখ ৮২ হাজার ৪৬ জন। নিবার্চনে ১০৬টি ভোট কেন্দ্রে ১০৬ প্রিসাইডিং অফিসার, ৬৯৪ সহকারি প্রিসাইডিং অফিসার এবং ১ হাজার ৩৮৮ পোলিং এজেন্টসহ মোট ২ হাজার ১ শ ৮৮ জন কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন।

সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) : মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় ফুটবল প্রতীকে মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থী শারমিন আক্তার প্রচার-প্রচরণায় জম-জমাট মাঠ তৈরি করেছেন। এরই মধ্যে তার মধ্যে প্রতিটি ইউনিয়নের পাড়া-মহল্লায়, রাস্তার মোড়, পোস্টার, ফেস্টুন টাঙ্গিয়ে ও মাইকে জনপ্রিয় শিল্পীদের কণ্ঠে গানের ছন্দে ভোটারদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

শারমিন আক্তার বলেন, আমি নির্বাচনে বিজয় হলে নারী উন্নয়ন, বাল্যবিবাহ যৌতুক, মাদক প্রতিরোধে অগ্রণী ভূমিকা রাখব।

 

"