মাদক কারবারের অভিযোগ

যবিপ্রবির ৮ ছাত্রকে হল থেকে বহিষ্কার

প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০১৯, ০০:০০

যশোর প্রতিনিধি

মাদক সেবন ও মাদকের সঙে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে সংশ্লিষ্টতার দায়ে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) চার বিভাগের আটজন ছাত্রকে ছয় মাসের জন্য বিশ^বিদ্যালয়ের শহীদ মসিয়ুর রহমান হল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। গতকাল শনিবার শহীদ মসিয়ুর রহমানের হলের পরিচালনা পরিষদের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে তাদের বিরুদ্ধে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

হল থেকে বহিষ্কৃত ছাত্ররা হলেন ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র তানভীর মাহমুদ ফয়সাল ও তানীম আহমেদ, একই বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র আক্তারাজ্জামান আপন, ইংরেজি বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র কেএম শাহেদ, ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রডাক্শন ইঞ্জিনিয়ারিং (আইপিই) বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র ইখতিয়ার ইমাম আনান, বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং (বিএমই) বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র দেবায়ন দাস জয়, অভিক মজুমদার ও নিলয় চন্দ্র মন্ডল। তাদের মধ্যে তিনজন শিক্ষার্থী অনাবাসিক হওয়ায় তাদেরকে এক হাজার টাকা জরিমানাসহ ছয় মাসের মধ্যে হলে প্রবেশ ও রাতযাপন নিষিদ্ধ করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, রুটিন কাজের অংশ হিসেবে গত ১২ ফেব্রুয়ারি শহীদ মসিয়ুর রহমানের হলের প্রভোস্ট ড. আমজাদ হোসেনের নেতৃত্বে অন্যানা সহকারী প্রভোস্টগণ হল পরিদর্শনে যান। এ সময় তারা হলের ৪১২ নম্বর কক্ষে চারজন ছাত্রকে মাদক সেবনরত অবস্থায় দেখতে পান। পরের দিন ১৩ ফেব্রুয়ারি হলের ১১০ নম্বর কক্ষে তারা গাঁজা সেবনের বিভিন্ন উপকরণ দেখতে পান। এছাড়া ওই কক্ষ তারা সারারাত ড্রাম ও উচ্চস্বরে সাউন্ডবক্স বাজিয়ে পড়াশোনার পরিবেশ বিনষ্ট করছে বলে অভিযোগ পান। গঠিত তদন্ত কমিটিও এসব ঘটনার সত্যতা পায়। পরে তদন্ত কমিটি অভিযুক্ত ছাত্রদের এক বছরের জন্য বহিষ্কারাদেশ দেওয়া যেতে পারে বলে সুপারিশ করে।

তবে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত বিবেচনা এবং শোধরানোর শেষ সুযোগ দিতে আট শিক্ষার্থীকে ছয় মাসের জন্য হল থেকে বহিষ্কার এবং ৩ ছাত্রকে এক হাজার টাকা জরিমানা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

এর আগে শনিবার শহীদ মসিয়ূর রহমানের হলের প্রভোস্ট ড. আমজাদ হোসেনের সভাপতিত্বে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পর্যালোচনা করতে সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন হলের সহকারী প্রভোস্ট মো. মজনুজ্জামান, ড. ফরহাদ বুলবুল, মোহাম্মদ নওশীন আমিন শেখ প্রমুখ।

 

"