আমতলীতে নেই সংরক্ষণাগার ফসল নিয়ে বিপাকে কৃষক

প্রকাশ | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:০০

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

বরগুনার আমতলী উপজেলায় ফসল সংরক্ষণাগার না থাকায় বিপাকে পড়েছেন এ অঞ্চলের কৃষকরা। ন্যায্য মুল্য না পাওযায় উৎপাদিত ফসল নিয়ে প্রতিনিয়ত দুশ্চিন্তায় থাকেন চাষীরা। সরেজমিনে দেখা গেছে, উপকূলীয় এ উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চল প্রতিনিয়ত কৃষি সমৃদ্ধ হচ্ছে। কিন্তু এ অঞ্চলের কোথাও সংরক্ষণাগার না থাকায় ফসল নিয়ে বিপাকে পড়তে হয় কৃষকদের। ফলে কৃষকের উৎপাদিত তরমুজ, আলু, মরিচ, বেগুনসহ অন্যান্য ফসল বাধ্য হয়ে পানির দামে বিক্রি করতে হয়। এতে লোকসান গুনছেন চাষীরা।

উপজেলার হলদিয়া, চাওড়া, আমতলী সদর, কুকুয়া, আড়পাঙ্গাশিয়া, আঠারগাছিয়া এলাকায় হাজার-হাজার হেক্টর জমিতে এখন চাষাবাদ করা হচ্ছে নানা প্রজাতির ফসল। বিশেষ করে ধান, মিষ্টি আলু, বেগুন, মরিচ, পিঁয়াজ, রসুন, টমেটো, বাদাম, সরিষা, কুমড়া ও মুসুড় ডালসহ বিভিন্ন শাকসবজি উৎপাদন করছেন কৃষক। কথা হয় হলদিয়া ইউনিয়নের কৃষক মো. আলম মিয়ার সঙ্গে। তিনি বলেন, এ বছর অনেক জমিতে রবি শস্য চাষ করা হয়েছে। হলদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. শহিদুল ইসলাম মৃধা জানান, হলদিয়াসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউপির কৃষি জমিতে এখন নানা জাতের ফসলের ভাল ফলন হয়। সে কারনে এলাকার মানুষ এখন অনেক সুখী। ফসল সংরক্ষণ করতে পারলে আরও দাম পাওয়া যেত।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ এস এম বদুরুল আলম জানান, এ বছর উপজেলায় ২৫ হাজার হেক্টর জমিতে রবিশস্য চাষ হচ্ছে। এতদা অঞ্চলের জমি অনেক উর্বর। যার কারণে যে কোন ধরন ফসলের ভালো ফলন হয়। তিনি আরো বলেন, চরের কৃষকরা পরিবার পরিজন নিয়ে জমিতে কাজ করেন। সে কারনে তারা অনেক লাভবান হয়। সংরক্ষণাগার একটি ব্যয়বহুল বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান হওয়ায় তা অনেকে স্থাপন করতে চায় না।

"