মানিকগঞ্জে রাস্তার পাশে নির্মাণসামগ্রী, ভোগান্তিতে পথচারীরা

প্রকাশ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:০০

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জ শহরের বিভিন্ন রাস্তার পাশে বড় বড় স্তুূপ করে রাখা হয়েছে নির্মাণ সামগ্রী। ফলে রাস্তায় যানবাহন চলাচলে সমস্যার সাথে সাথে জনসাধারণকেও ভোগান্তী পোহাতে হচ্ছে। র্দীঘদিন রাস্তার পাশে নির্মাণ সামগ্রী রাখলেও কর্তৃপক্ষের কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করে নি। সরেজমিনে দেখা যায়, জেলা শহরের বিভিন্ন রাস্তার পাশে বড় বড় স্তুূপে নির্মাণ সামগ্রী রাখা হয়েছে। রাস্তার অধিকাংশ জায়গা জুড়ে ইট, ইটের খোয়া, পাথর কুচি, বালি ও কাঠসহ বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রী রাখা হয়েছে। যা বিল্ডিং কোডের পরিপন্থি। বিশেষ করে বেউথা, দুধবাজার ও গঙ্গাধরপট্টি এলাকায় রাস্তার পাশে এসব নির্মাণ সামগ্রী বেশি দেখা যায়। এতে যানবাহন ও জনসাধারণের যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছে এবং অনেক সময় ছোট-বড় দূর্ঘটনা ঘটছে।

আব্দুল জলিল, লাল মিয়া, জসিমসহ একাধিক হ্যালোবাইক চালকরা জানান, জরিণা কলেজ মোড় থেকে কোর্ট মোড় পর্যন্ত রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় নির্মাণসামগ্রী রেখে বড় দালান ও বাড়ি নির্মাণ করছেন মালিকরা। এতে করে সরু রাস্তা আরো সরু হয়ে যাচ্ছে। রাস্তায় এসব সামগ্রী রাখার ফলে অনেক সময় দূর্ঘটনাও ঘটছে। এছাড়া একই অবস্থা শহরের অনান্য রাস্তারও। সাব্বির হোসেন, রাসেল মিয়া, ইমরান হোসেনসহ একাধিক স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা জানান, মানিকগঞ্জ বাজার হতে খালপাড় ব্রিজ ও গঙ্গাধরপট্টির রাস্তার বিভিন্ন স্থানে ইট-বালু ও পাধরকুচি রাখার ফলে যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছে। বিশেষ করে মহিলা কলেজের ব্রিজের পর দেবেন্দ্র কলেজ পর্যন্ত রাস্তার এই অংশে সমস্যা বেশি হয়। অনেক সময় ধুলাবালি ও কাদায় জামা নষ্ট হয়ে যায়।

জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎস (আরএমও) লুৎফর রহমান জানান, মুখের ত্বকে ধুলাবালি পড়ার কারনে প্রধান যে সমস্যা সৃষ্টি হয় ব্রণ তার মধ্যে অন্যতম। এছাড়াও ধূলাবালি কারনে এ্যাজমা, শ্বাসকষ্ট, এলার্জির প্রধান কারন। ধুলাবালির কারনে ফুসফুসের অনেক রোগ সৃষ্টি হয়।

পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী বিল্লাল হোসেন বলেন, এসব নির্মাণ সামগ্রী সরানোর জন্য প্রথমে মাইকিং করা হবে। এরপর নোটিশ করা হবে এবং সর্বশেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তবে এ বিষয়ে পৌর মেয়র গাজী কামরুল হুদা সেলিমের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

"