হুমকিতে গড়াই সেতু মধুমতিতে বালু উত্তোলন

প্রকাশ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:০০

ফরিদপুর প্রতিনিধি
ama ami

ফরিদপুর ও মাগুরা জেলার সীমানায় নদীর মাঝ থেকে অবাধে বালুচুরির মহোৎসব চলছে। সরকারী বালু মহালের নির্ধারিত সীমানার বাইরে গিয়ে ইজারাদারের লোকেরা গড়াই সেতুর পিলারের অদুরে স্ক্যাবেটর ও ট্রাক লাগিয়ে তুলে নিয়ে যাচ্ছে বালু। এতে হুমকীর মুখে পড়েছে গড়াই সেতুসহ সংলগ্ন নদী তীরবর্তী এলাকা ও সড়ক।

সরেজমিনে মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নের মচলন্দপুর বালু মহাল এবং ডুমাইন ইউনিয়নের ডুমাইন বালু মহাল ঘুরে দেখা যায়, মধুমতি নদীর উজান ও ভাটিতে উভয় পাড় থেকেই দিনরাত বিরতিহীন ভাবে বালু কেটে নেয়া হচ্ছে। ফলে রাজধরপুরে মধুমতির তীরে অবস্থিত ৪৮ কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন টাওয়ার যা মাগুরার সঙ্গে জাতীয় গ্রীডে ফরিদপুরকে সংযুক্ত করেছে সেটি হুমকির মুখে পড়েছে। পাশাপাশি ঢাকা বিভাগের সঙ্গে খুলনা বিভাগের অন্যতম সংযোগস্থল জনগুরুত্বপূর্ন গড়াই সেতুর কয়েকটি পিলারও বালু তোলায় রয়েছে হুমকিতে। অপরদিকে মচলন্দপুর বালু মহাল থেকে অব্যহতভাবে বালু উত্তোলন করায় নদীর অপর পাড়ের বীর শ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের বাড়ি যাওয়ার একমাত্র সড়কটিও ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের গত কয়েক বছর যাবৎ সড়কটিতে অস্থায়ী মেরামত কাজ করলেও নদীতে ড্রেজার লাগিয়ে বালু উত্তোলন করায় সেই অস্থায়ী কাজও টিকছে না। ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রাজস্ব বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে ডুমাইন বালু মহালের ২১.৪৩ একর জায়গা ১১ লাখ টাকায় এবং মচলন্দপুর বালু মহালের ৩১ একর জায়গা ৩১ লাখ টাকায় ইজারা দেওয়া হয় মাগুরা জেলার জৈনক আলীয়ার রহমানকে।

এ প্রসঙ্গে ইজারাদার আলীয়ার রহমান বলেন, ডুমাইন বালু মহালে বেশির ভাগই মাটি, সেখানে বালু নেই বললেই চলে। সেজন্য মাগুরা জেলা প্রশাসন থেকে ইজারা নিয়ে রাজধরপুর থেকে বালু তোলা হচ্ছে।

"