ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজট চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০

মারুফ আহমেদ, কুমিল্লা

দেশের পাইপলাইন খ্যাত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্রযানজটে পড়ে চরমভোগান্তিতে যাত্রীরা। মেঘনা টোলপ্লাজা থেকে দাউদকান্দির বারপাড়া পর্যন্ত প্রায় ১৮/২০ কি.মি. সড়কে তিব্র এ যানজট প্রকট আকার ধারণ করেছে। ফলে যানবাহনে বসেই রাত যাপন করে দিন অতিবাহিত করছেন অসংখ্য যানবাহন ও তাদের যাত্রীরা। গত মঙ্গলবার রাত ১১টা থেকে শুরু হওয়া এ যানজট গতকাল বুধবার দুপুর পর্যন্ত বহাল রয়েছে। যানবাহনগুলো থেমে থেমে চলছে। গাড়ির গতি কম থাকায় চরমভোগান্তিতে পড়েছে যাত্রীরা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে মালবাহী যানচলাচলের জন্য এমনিতেই যানজট লেগেই থাকে। গোমতী ও মেঘনা সেতু এলাকায় টোল আদায় করতে গিয়ে টোল আদায়কারি কর্মকর্তাদের সাথে চালক- হেলপারদের কথা কাটাকাটি এবং ধীরগতিতে টোল আদায়ে কালক্ষেপণের কারণে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে যানজট প্রকট হলে কুমিল্লা থেকে ঢাকা যেতে ৮/৯ ঘন্টা সময় লাগে। যানজট না থাকলে কুমিল্লা থেকে ঢাকা যেতে দেড় থেকে ২ ঘন্টা সময় লাগত।

সূত্র আরো যায়, মঙ্গলবার রাত থেকে মেঘনা সেতু থেকে দাউদকান্দির বারাপাড়া পর্যন্ত প্রায় ২০ কি.মি. সড়কের উভয় পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ফলে কুমিল্লা থেকে ঢাকা যেতে প্রায় ৯/১০ ঘন্টা সময় লাগছে। গতকাল বুধবার সকালের দিকে কুমিল্লার দাউদকান্দি টোলপ্লাজা থেকে গৌরিপুরের বারাপাড়া পর্যন্ত ৭/৮ কি.মি. অংশে যানজট প্রকট থাকলেও ঢাকা থেকে কুমিল্লা আসার অংশে যানজট কমেছে।

মঙ্গলবার রাতে ঢাকা থেকে কুমিল্লা আসা বাসের যাত্রী মামুন এবং ব্যবসায়ী আমির জানান, রাত ৯টায় ঢাকা থেকে রওনা দিয়ে বুধবার ভোর ৬টায় কুমিল্লায় এসে পৌঁেছছি। সারারাত বাসেই বসে কাটিয়েছি। একই জায়গায় ঘন্টার পর ঘন্টা বাস আটকে ছিল। ফয়সাল নামের এক বাস হেলপার জানান, মেঘনা এলাকায় রাস্তার দু’পাশেই যানজট। কিভাবে বাস চলবে। একই জায়গায় ২/৩ ঘন্টা বসে থাকতে হয়।

দাউদকান্দি হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, কুমিল্লার অংশে ৭/৮ কি.মি এলাকায় যানজট রয়েছে। তবে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম আসার অংশে যানজট নেই। তবে মেঘনা সেতু এলাকায় তীব্র যানজটের প্রভাবে কুমিল্লা অংশে যানজট এসে পড়েছে। যানজট নিরসনে হাইওয়ে পুলিশ কাজ করছে।

"