সেচের জন্য হরিহর নদীর পলি অপসারণ করলেন কৃষকরা

প্রকাশ : ০৮ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
ama ami

যশোরের কেশবপুরে স্বেচ্ছাশ্রমে হরিহর নদীর সংযোগ খালের পলি অপসারণ করছেন উপজেলার পুর্বাংশের ৩ ইউনিয়নের কৃষকরা। ইরি-বোরো মৌসুমকে সামনে রেখে জমিতে পর্যাপ্ত পানি সরবারহের লক্ষে খাল পরিস্কারের এ উদ্যোগ নেন তারা।

স্থানিয়রা জানান, উপজেলার চুয়াডাঙ্গা, পাথরা ও বুড়–লি এলাকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্লুইসগেটটি পলি পড়ে হরিহর নদীর সংযোগ খাল ভরাট হয়ে যায়। যা নিয়ে উপজেলার পাঁজিয়া, মঙ্গলকোট ও সুফলাকটি ইউনিয়নের কৃষকরা বদ্ধ পানি সরাতে না পেরে দুঃশ্চিন্তায় পড়েন।

পুর্বাংশের বিভিন্ন বিলের মাছের ঘেরের পানি গেট পেরিয়ে মুল খালে প্রবাহিত হতে না পারায় ইরি-বোরো বীজতলা প্রস্তুত করা ও আবাদ করা কঠিন হয়ে পড়ে। সংশ্লিষ্ট এলাকার কৃষকরা স্ব-উদ্যোগে বিঘা প্রতি ১০০ টাকা হারে চাঁদা দিয়ে দেশীয় প্রযুক্তির সাহায্যে ও নিজেরা শ্রম দিয়ে সংযোগ খালের পলি অপসারনে উদ্যোগ নিয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এইচ এম আমির হোসেন সরেজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং কৃষকদের দূর্দশার কথা শুনেন। তিনি কৃষদের এ উদ্যোগকে একটি ব্যাতিক্রমী প্রচেষ্টা বলেছেন। সরকারের অপেক্ষায় না থেকে নিজেরাই উদ্যোগী হওয়ায় তিনি কৃষকদের বাহবা দিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন।

পাঁজিয়া গ্রামের কৃষক বাবুর আলী সরদার, বারিক সরদার মুনছুর গাজী, সোহরাব হোসেন, আব্দুল গফুর মোড়ল, চৈতন্য মন্ডল জানান, এলাকায় ৩০ পৌষের ভিতর বিলের অভ্যন্তরের ঘেরের পনি সেচ দিয়ে দেওয়ার শর্তে মাছের ঘের করা হয়। এখনও পর্যন্ত বিলের পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা না হওয়ায় চাষীরা পড়েছেন মহাবিপাকে। অনেকের ডাঙা এলাকায় বীজতলা প্রস্তুত করেছেন।

সে বীজ তলার পাতা বড় হয়ে যাচ্ছে। পানি সেচ দিতে না পারায় এবার ইরি-বোরো আবাদ নিয়ে তারা রয়েছেন দুঃশ্চিন্তায়।

 

"