ঠাকুরগাঁও-২

২২ বছর পর দলীয় প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বিএনপি

প্রকাশ : ২০ নভেম্বর ২০১৮, ০০:০০

আল মামুন জীবন, বালিয়াডাঙ্গী (ঠাকুরগাঁও)

ঠাকুরগাঁও-২ আসনে গত ২২ বছর ধরে বিএনপি নেতৃত্বাধিন জোট প্রার্থী হিসেবে দাড়িপাল্লা প্রতীকে নির্বাচন করেছে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী। ফলে ১৯৯৬ সালের পর থেকে বিএনপির নেতাকর্মীরা দাড়িপাল্লাকেই সমর্থন করে এসেছেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের জন্য প্রজ্ঞাপন জারি হওয়া এবং ঐক্যফ্রন্ট থেকে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় এই পরিস্থিত তৈরি হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী, হরিপুর উপজেলা ও রাণীশংকৈল উপজেলার ধর্মগড় ও কাশিপুর দুই ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ঠাকুরগাঁও-২ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৭৩ হাজার ৪৭১ জন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৬ সালের পর বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের দীর্ঘদিনের দাবী ছিল ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার। দীর্ঘ ২২ বছর পর সে আশা পুরণ হতে চলেছে। উপজেলা বিএনপির সভাপতি রাজিউর রহমান চৌধুরী বলেন, দলীয় অঙ্গ সংগঠনগুলো গোছানো সহ সব ধরনের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে আমরা শেষ করেছি।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-২ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য জেড মর্তুজা চৌধূরী তুলা, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ডক্টরস এ্যাসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সভাপতি ডা. মো. আব্দুস সালাম, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ফয়জুল ইসলাম হিরু ও সাধারণ সম্পাদক ড. টিএম মাহবুবর রহমান।

মনোনয়ন প্রত্যাশী বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা বিএনপির সম্পাদক ড. টিএম মাহবুবর রহমান বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা তৃর্ণমূলের নেতাকর্মীদের নিয়ে কাজ করছি। একই মন্তব্য করে অপর মনোনয়ন প্রত্যাশী উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ফইজুল ইসলাম হিরু মুঠোফোনে জানান, দল বিবেচনা করে মনোনয়ন দিলে আমি প্রথমবারের মত সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবো। এ আসনে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রার্থীতা নিয়ে কোন দ্বন্দ্ব নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এদিকে ৬ বার পরাজিত জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল হাকিম গত ০১ নভেম্বর নাশকতার মামলায় নিজ বাড়ী থেকে গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে জেল হাজতে রয়েছেন। তার পক্ষ থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করা হলেও নির্বাচনে অংশ নিয়ে বেশ অনিশ্চয়তায় রয়েছেন নেতাকর্মীরা।

"