ইবির ভর্তি পরীক্ষা

প্রশ্নপত্রের সঙ্গে উত্তরপত্রের অমিল : বিপাকে শিক্ষার্থীরা

প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর ২০১৮, ০০:০০

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়ের (ইবি) ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ¯œাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদভূক্ত ‘সি’ ইউনিটের প্রশ্নপত্রের সাথে উত্তরপত্রের (ওএমআর) অমিল থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে পরীক্ষা বাতিলের শঙ্কায় ভূগছে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা। জানা যায়, গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় প্রথম শিফটে ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়। এরপর পরীক্ষায় প্রশ্নপত্রের সাথে ওমআরএর শিটের অমিলের অভিযোগ আনে শিক্ষার্থীরা।

পরে প্রশ্নপত্রে দেখা যায়, মোট ৬০ নম্বরের এমসিকিউ প্রশ্নে ১-৩০ ক্রমিক নম্বর পর্যন্ত ইংরেজী, ৩১-৪৫ পর্যন্ত ব্যবসায় শিক্ষা, ৪৬-৬০ পর্যন্ত হিসাব বিজ্ঞান বিষয় ক্রমবিন্যাস করা হয়। তবে ওএমআর শিটে প্রথমে ইংরেজী পরে হিসাব বিজ্ঞান এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়টি ক্রমবিন্যাস করা হয়। এতে প্রশ্নপত্র এবং ওএমআর শিটের সাথে অমিলের বিষয়টি উঠে আসে। তবে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা জানায়, প্রশ্নপত্রে ৩১-৪৫নং এমসিকিউগুলোর ক্রমবিন্যাসে ব্যবসায় শিক্ষা থাকলেও মূলত এগুলো হিসাব বিজ্ঞান বিষয়ের। অপরদিকে প্রশ্নপত্রে ৪৬ থেকে ৬০নং এমসিকিউগুলোর ক্রমবিন্যাস হিসাব বিজ্ঞান বিষয়ের দেয়া থাকলেও এগুলো মূলত ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ের। এছাড়া ২০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় প্রশ্নপত্রের সাথে ওএমআর শিটেরও অমিল পাওয়া গেছে। শিক্ষার্থীরা জানায়, প্রশ্নপত্রে ৬১-৮০ ক্রমিক নম্বর পর্যন্ত লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নের ক্রমবিন্যাস করা হয়। তবে প্রশ্নপত্রে এই ৬১-৮০ নম্বর পর্যন্ত ক্রমবিন্যাস করা হলেও ওএমআর শিটে ক্রমবিন্যাস করা হয় ১-২০ পর্যন্ত। ‘সি’ ইউনিটের সমন্বয়কারী ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. অরবিন্দ শাহা বলেন, ‘প্রশ্নপত্র এবং ওমমআর’র অসঙ্গতির বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে।’ ইবি কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের নজরে আসার সাথে সাথে আমরা প্রশাসন থেকে একটা নির্দেশ দিয়েছি। কিন্তু কক্ষ পরিদর্শকগণ আমাদের নির্দেশনা যথাযথভাবে না মানায় কেন্দ্রে একটু জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা বসে সিদ্ধান্ত নিব। যাতে কোনো শিক্ষার্থীর প্রতি অবিচার না করা হয়।’

 

"