বগী বেড়িবাঁধে ভাঙন

শরণখোলায় বাঁধ মেরামতে ফেলা হচ্ছে বালুর বস্তা

প্রকাশ : ১৪ অক্টোবর ২০১৮, ০০:০০

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

বাগেরহাটের শরণখোলার সাউথখালী ইউনিয়নের বগীতে ভেঙে যাওয়া বেড়িবাঁধ মেরামতে কাজ শুরু হয়েছে। জোয়ারের পানি ঠেকাতে গত শুক্রবার সকাল থেকে ভাঙনকবলিত স্থানে বালুর বস্তা ফেলা হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ৩৫/১ পোল্ডারে গত শুক্রবার উপকূলীয় বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের খুলনার ডেপুটি রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম সাইদউদ্দিন ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

এদিকে, উপকূলীয় বাঁধ উন্নয়ন প্রকল্প (সিইআইপি) কর্তৃপক্ষের দাবি, পানির চাপ অনেক বেশি। তাই জরুরি রিং বাঁধের জন্য স্ক্যাবেটর মেশিন ঘটনাস্থলে গেলেও প্রয়োজনীয় কাজ করতে পারছে না।

বগী ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. রিয়াদুল পঞ্চায়েত বলেন, ‘চার দিন ধরে বগী গ্রামের তিন শতাধিক পরিবারে রান্না-বান্না হয়নি। বাজার থেকে শুকনা খাবর কিনে খেতে হচ্ছে তাদের। মানুষ স্বাভাবিক কাজকর্মও করতে পারছে না। বলেশ্বর নদীর জোয়ারে পানির চাপে ঘরবাড়ি ছেড়ে দুই শতাধিক লোক বগী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুন্দরবন দাখিল মাদ্রাসা ও দশঘর সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নিয়েছিল। ভাঙনে এলাকার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সরকারি ভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের অর্থ ও খাদ্য সহায়তা দেওয়ার উচিত।’

এ ব্যাপারে উপকূলীয় বাঁধ উন্নয়ন প্রকল্পের (সিইআইপি) দায়িত্বরত প্রকৌশলী শ্যামল দত্ত বলেন, ‘জিও ব্যাগে বালু ও মাটি ভরে ভাঙন স্থলে ফেলা হচ্ছে। পানির চাপ কমলে পরবর্তীতে স্ক্যাবেটর মেশিন দিয়ে মাটি কেটে রিং বাঁদ দেওয়া হবে।’

শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিংকন বিশ্বাস বলেন, ‘বগী বেড়িবাঁধের অবস্থা খুবই খারাপ। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে মাটির ব্যাবস্থা করা হয়েছে। মাটি এবং বালু জিও ব্যাগে ভরে প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। পানির চাপ কমলে সেখানে স্ক্যাবেটর মেশিন দিয়ে মাটি কেটে রিং বাঁধ দেওয়া হবে। জোয়রের পানিতে আমন খেত এবং মৎস্য সেক্টরের যে ক্ষতি হয়েছে তা নিরুপণ করে ক্ষতিপূরণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে।’

 

"