বদলে যাওয়া জনপদ আমতলী

প্রকাশ : ০৯ অক্টোবর ২০১৮, ০০:০০

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
ama ami

বরগুনার আমতলী উপজেলার অবহেলিত জনপদে আজ উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। অপেক্ষাকৃত অনুন্নত এ উপজেলায় রাস্তাঘাট, অবকাঠামো, বিদ্যুত ব্যবস্থা, শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্য সেবাসব সকল সেক্টরে উন্নয়ন দৃশ্যমান। গ্রামের অলিগলি থেকে শুরু করে প্রধান সড়ক সবখানে এখন মসৃণ পথ। আর বিদ্যুতের আলো পৌচেছে প্রান্তিক মানুষের ঘরে ঘরে।

গত ১০ বছরে পল্লী সড়ক উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, সেতু, উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সাইক্লোন সেল্টার, বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ ও ক্ষুদ্রাকার পানিসম্পদ উন্নয়নমূলক প্রকল্পে ১৯২.০৯ কোটি টাকার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত তিনদিন ব্যাপী সরকারের উন্নয়ন মেলা থেকে পাওয়া তথ্য সূত্রে জানা যায়, এলাকার শিক্ষা খাত, অবকাঠামো নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও মেরামত, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, ঘুর্ণিঝড় ও আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ, ইউপি ভবন নির্মাণ, হাট-বাজার, এলাকার দুস্থ নারীদের ভাগ্য উন্নয়নসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড মেলায় তুলে ধরা হয়। মেলায় এলজিইডি বিভাগের স্টলে ‘একনজরে উন্নয়নের সকল তথ্য’ উপস্থাপন করে পুস্তিকা আকারে বিলি করে উপজেলা প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলাম। এ সময় তিনি জানান, ২০০৯-২০১৮ পর্যন্ত ১০ বছরে উপজেলায় মোট ১৯২.০৯ কোটি টাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে এলজিইডি ১৫৬ কি.মি সড়ক নির্মাণ করা করেছে। চলমান রয়েছে আরও ১৯.৫০ কি.মি গ্রামীন সড়কের কাজ। গত ১০ বছরে ২৪ কোটি টাকা ব্যয়ে উপজেলায় ৮৫৬.৭০ মিটার দৈর্ঘ্যরে ও কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে। ২৫০ মিটার ব্রীজ-কালভার্টের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। ৮.১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৬টি হাট-বাজার নির্মাণসহ ৭ টি ইউনিয়ন পরিষদ পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মান করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে ২০.৭২ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৮টি নতুন প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন, ১১ টি সাইক্লোন সেল্টার নির্মাণ করা হয়েছে।

উপজেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলাম বলেন, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের ফলে আমতলী অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছে।

"