মির্জাগঞ্জে কৃষি শ্রমিকের অভাবে আমন চাষ ব্যাহত

প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০

মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় কৃষি শ্রমিকের অভাব দেকা দিয়েছে। ফলে উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের কৃষকদের ক্ষেত-খামারে চাষাবাদ ও ফসল পরিচর্যা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

উপজেলা বিভিন্ন গ্রামীন রাস্তঘাট পাকা হওয়ায় এক সময়ের কৃষি শ্রমিকের অধিকাংশ এখন সিএনজি, মাহিন্দ্রো, অটোরিক্সা, অটোবাইক, অটোভ্যান, নসিমন, শ্যালো ইঞ্জিন চালিত ট্যাম্পু ও মটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে। ফলে কৃষি শ্রমিক বা ক্ষেত মজুরদের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এমনকি গত কয়েক বছরে উপজেলার একাধিক সমাজ উন্নয়ন মূলক এনজিও গড়ে উঠায় লেখাপড়া জানা কৃষি শ্রমিকদের অনেকেই এখন এসকল এনজিওতে কাজ করছেন। উপজেলা ব্যাপী কৃষি মজুরদের সংকট বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় কৃষকরা চিন্তিয় পড়েছেন।

উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন আর কেউ অন্যর জমি বর্গা চাষ করতে চায় না। আবার কিছু কৃষি শ্রমিক ও ক্ষেত মজুর পাওয়া গেলেও তাদের মজুরী আগের চেয়ে কয়েকগুন বেড়ে গেছে। চলতি আমন চাষাবাদ মৌসুমে ক্ষেতে আমন চারা রোপনের জন্য একজন কৃষি শ্রমিককে দৈনিক ৩ বেলা খাওয়াসহ ৫০০ টাকা মজুরী দিতে হয়। যাহা ৫ থেকে ৬ বছর পূর্বে ছিল ৩ বেলা খাওয়াসহ ২০০ টাকায় কৃষি শ্রমিক পাওয়া যেত।

উপজেলার মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের একজন সম্পূর্ণ কৃষক মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, আগের তুলনায় মজুরী দ্বিগুন হওয়া সত্ত্বেও কৃষি শ্রমিক বা বিশেষকরে যুবক বয়সী শ্রমিকেরা কৃষি কাজে আগ্রহী হচ্ছেনা। এখন আমাদের দক্ষিনের শ্রমিকদের উপর নির্ভর করে চলতে হচ্ছে।

"