কলাপাড়ার মহিপুর বাজারের প্রবেশ সড়ক বেহাল

প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর কলাপাড়ার মৎস্য বন্দর মহিপুর বাজারের প্রবেশের সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এ সড়কটির এমন বেহাল দশায় মৎস্য ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ পোহাচ্ছেন চরম র্দুভোগ। ব্যাহত হচ্ছে মৎস্য বন্দর ভিত্তিক বানিজ্যিক কাজ।

গতকাল শনিবার সরজমিনে ঘুরে দেখা যায়, মহিপুর শেখ রাসেল সেতুর উত্তর প্রান্ত থেকে মৎস্য বন্দর মহিপুরে প্রবেশের একমাত্র পথটির বিভিন্ন জায়গা ভেঙ্গে গিয়ে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্র্তের। এসব খানাখান্দ এবং গর্তে বর্ষার পানি জমে রয়েছে। কোথাও আবার তৈরি হয়েছে কাদাপানির আস্তরণ। যানবাহন চলাচলের সময় এসব কাদাপানি ছিটকে নষ্ট হচ্ছে মানুষের কাপড়-চোপড়। ফলে সড়কটি দিয়ে চলাচলে যানবাহনসহ জনসাধারণকে পড়তে হচ্ছে বিপাকে। স্থানীয়রা জানায়, কখনো কখনো যানবাহন এসব খানাখন্দে আটকে যায়। তখন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে যানবাহনসহ সাধারনের চলাচল। আবার কখনো কখনো দুঘর্টনায় পড়ছে পণ্যবাহী পিকআপ ভ্যান, ট্রাক, কার্ভাড ভ্যান, ইঞ্জিনচালিত ভ্যান। মহিপুর কোÑঅপারেটিভ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিন্ডার গার্ডেন স্কুলের কয়েক’শ শিক্ষার্থীকে ঝুঁকি নিয়ে এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হয়। মহিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা দিপ্তি রানী ভৌমিক বলেন, বিদ্যালয়ের ৪২৭জন শিক্ষার্থীর মধ্যে অর্ধেকের বেশি এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করে। দীর্ঘদিন ধরে ভঙ্গুর দশায় রয়েছে রাস্তাটি। বর্ষা এলেই এ রাস্তা কাদাপানিতে একাকার হয়ে যায়। ফলে অনেক সময় শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ায় সময় পরিধেয় পোষাক-পরিচ্ছেদ নষ্ট হচ্ছে।

র্দুভোগ থেকে পরিত্রানে রাস্তাটি সংস্কারের দাবি জানিয়ে মৎস্য ব্যবসাযী ফজলু গাজী জানান, নদীর পাড়ে কিছু অংশের কাজ সম্পন্ন হলেও বাজারের প্রবেশ মুখের রাস্তার সংস্কার কাজ হচ্ছে না। মৎস্য বন্দর মহিপুর থেকে প্রতিদিন প্রায় কোটি টাকার মাছের আমদানী-রফতানি হচ্ছে। এসব মাছবাহী পিকআপ, ট্রাক, কার্ভাড ভ্যান, ইঞ্জিনভ্যান প্রায়শই দুর্ঘটনায় পড়ায় তারা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

মহিপুর ইউপি চেয়ারম্যান ছালাম আকন জানান, পটুয়াখালী সড়ক ও জনপদ অধিদফতর (সওজ) এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) অবহিত করেছি। আশা করছি খুব দ্রুত কাজ শুরু হবে।

পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগ নির্বাহী প্রকৌশলী নিজাম উদ্দিন আহম্মেদ সাংবাদিকদের জানান, চলতি অর্র্থ বছরে সড়কটির কাজ সম্পন্ন করা হবে।

"