লালমনিরহাটে ট্রেন অবরোধ ম্যানেজারের কার্যালয় ঘেরাও

প্রকাশ | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০

লালমনিরহাট প্রতিনিধি

লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনসহ অন্যান্য ট্রেনের সেবার মানোন্নয়ন, অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও টিকিট কালোবাজারিসহ লালমনিরহাট রেল বিভাগের বিভিন্ন দুর্নীতির প্রদিবাদে লালমনিরহাট পৌর আ.লীগ ট্রেন অবরোধ ও বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজারের কার্যালয় ঘেরাও করেছে। গতকাল বুধবার দুপুরে পৌর আ.লীগের সভাপতি মোফাজ্জল হোসেনের নেতৃত্বে আ.লীগের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ছাড়াও শত শত সাধারন জনগন অবরোধ ও ঘেরাও কর্মসুচিতে অংশ নেয়। নেতাকর্মীরা প্রথমে লালমনিরহাট রেলওয়ে স্টেশনে লালমনি এক্সপ্রেস অবরোধ ও পরে তারা বিভাগীয় রেওয়ে ম্যানেজারের কার্যালয় ঘেরাও করে। এ সময় বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার মোস্তাফিজার রহমান আন্দোলনকারীদের সাথে আলোচনায় বসতে চাইলে অবরোধ তুলে নেয়া হয়।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা প্রতিদিনের সংবাদকে জানান,‘ লালমনিরহাট রেল বিভাগে বিভাগীয় ম্যানেজার (ডিআরএম) হিসেবে মোস্তাফিজার রহমান যোগদানের পর থেকে লালমনিরহাট রেল বিভাগের সকল কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ভেঙ্গে পড়ে।’ ফলে ঢাকা যাওয়া আসার আন্তঃনগর ট্রেন লালমনি এক্সপ্রেস এর শিডিউল বিপর্যয়, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, টয়লেটে পানি না থাকা, সকল ট্রেনের অধিকাংশ টিকেট কালোবাজারে চলে যাওয়াসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড বিভিন্ন দুর্নীতির জালে আটকা পরে।

এদিকে বিভিন্ন সময়ে এসব অনিয়ম বন্ধ করতে বিভাগীয় ম্যানেজারকে অনুরোধ করা হলেও তিনি কারো কথা কর্ণপাত করতেন না, উল্টো অভিযোগকারীদের সাথে অসাদাচারণ করতেন।’ এদিকে আন্দোলনকারীদের সাথে একত্মতা প্রকাশ করে রেল বিভাগে কর্মরত একাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন,‘ বর্তমান বিভাগীয় ম্যানেজার (ডিআরএম) মোস্তাফিজার রহমান লালমনিরহাটে প্রায় ৮ বছরেরও বেশি সময় ধরে কর্মরত আছেন। এর আগে তিনি ডিটিএস থাকা অবস্থায় তার অধীনস্থ কর্মচারীদের সাথে অসাদাচারণসহ স্টেশন মাস্টারদের জিম্মি করে বিভিন্ন অফিস সরঞ্জাম ও কাগজ সরবারহ করতেও নির্ধারিত হারে উৎকোচ গ্রহন করতেন।’

"