গৃহবধূসহ তিন স্থানে তিনজনের লাশ উদ্ধার

প্রকাশ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০

প্রতিদিনের সংবাদ ডেস্ক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় নিখোঁজের পাঁচ দিন পর শানু মিয়া (৬৭) নামে এক বৃদ্ধ, ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার দক্ষিণ মনিকুড়া গ্রামে ধানখেত থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি এবং বগুড়ার ধুনট উপজেলায় নিজ ঘর থেকে মর্জিনা খাতুন (৩৫) নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :

ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় নিখোঁজের পাঁচদিন পর শানু মিয়া (৬৭) নামে এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত বৃহ¯পতিবার বিকেলে উপজেলার বিটঘর ইউনিয়নের বিটঘর গ্রামে ঈদগাহ মাঠের পাশে একটি ধইঞ্চা ক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নবীনগর থানার ওসি আসলাম সিকদার জানান, গত ১ সেপ্টেম্বর শানু মিয়া বড়ি থেকে নিখোঁজ হন বলে তার পরিবারের থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। গত বৃহ¯পতিবার বিকেলে বিটঘর গ্রামের ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন একটি ধইঞ্চা ক্ষেতে ওই বৃদ্ধের মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। তিনি আরো জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ) : ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার দক্ষিন মনিকুড়া গ্রামে অবস্থিত সদর ইউনিয়ন পরিষদের পার্শ্বে ধান ক্ষেত থেকে অজ্ঞাত এক ব্যাক্তির লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

হালুয়াঘাট থানা সুত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে ঐ ব্যাক্তিকে দড়ি দিয়ে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার পর ধান ক্ষেতে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে গত শুক্রবার পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।

হালুয়াঘাট থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার বলেন, এখন পর্যন্ত নিহত ব্যাক্তির পরিচয় জানা যায়নি এবং ঘটনায় জড়িত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

বগুড়া : বগুড়ার ধুনট উপজেলায় নিজ ঘর থেকে মর্জিনা খাতুন (৩৫) নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত মর্জিনা উপজেলার চালাপাড়া গ্রামের আব্দুস ছালামের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২০ বছর আগে উপজেলার সদরপাড়ার মর্জিনা খাতুনের সঙ্গে আব্দুস ছালামের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তাদের দাম্পত্য জীবন সুখেই কাটছিল। গত বৃহস্পতিবার সে নিজ ঘরে তীরের সঙ্গে গলায় ওড়না পেচিয়ে ফাঁস দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মর্জিনা খাতুনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে।

নিহত মর্জিনা খাতুনের স্বামী আব্দুস ছালাম বলেন, আমার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে নানা জটিল রোগে আক্রান্ত ছিল। সে রোগযন্ত্রনা সইতে না পেরে সকলের অজান্তে ঘরের ভেতর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

ধুনট থানার এসআই সুলতান আহম্মেদ বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা (ইউডি) রেকর্ড করা হয়েছে।

"