ফরিদপুরে জমে উঠেছে নৌকার হাট

প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০১৮, ০০:০০

কে এম রুবেল, ফরিদপুর

চলছে বর্ষা মৌসুম। চারদিকে থই থই করছে বর্ষার পানি। গ্রামের মেঠোপথ, খালবিলগুলো এখন বর্ষার পানিতে কানায় কানায় পূর্ণ। আর বর্ষাকালে ফরিদপুর অঞ্চলের মানুষের চলাফেরার প্রধান বাহন ডিঙি নৌকা। নৌকার চাহিদা মেটাতে নৌকা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা। আর সপ্তাহে দুই দিন জেলার ভাঙা উপজেলার কুমার নদীর পাড়ে বসে ডিঙি নৌকা বিক্রির হাট। সকাল থেকে শুরু হওয়া হাট চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। জেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ক্রেতারা নৌকা কিনতে ভিড় করেন এই হাটে।

জানা গেছে, ভাঙা উপজেলার কুমার নদীর পাড়ে সপ্তাহের দুইদিন শুক্রবার ও সোমবার নৌকা বিক্রির হাট বসে। সকাল থেকে শুরু হওয়া হাট চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। জেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ক্রেতারা আসেন নৌকা ক্রয় করতে। হাটে এসে পছন্দের নৌকা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন বাড়িতে। আর নৌকা বিক্রি করে খুশি নৌকা তৈরির কারিগররা। প্রকারভেদে নৌকা বিক্রি হয় দুই হাজার থেকে আট হাজার টাকা পর্যন্ত। ভাঙা বাজারের ব্যবসায়ী আসাদ মুন্সী বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বড় নৌকার হাট বসে ভাঙায়। বিভিন্ন জেলার মানুষ নৌকা কিনতে এই হাটে ভিড় করে। সপ্তাহে দুই দিন শুক্র ও সোমবার হাট বসে। সকাল থেকে শুরু হওয়া হাট চলে সারাদিন। তবে শুক্রবার বেশি নৌকা উঠে বলে তিনি জানান।

টেকেরহাট থেকে নৌকা কিনতে এসেছেন জুয়েল মল্লিক। তিনি বলেন, এখন বর্ষাকাল। চারিদিকে বর্ষার পানিতে থই থই করছে। আর এখন নৌকা ছাড়া কোনো কাজই হয় না। আর সে জন্যই নৌকা কিনতে এসেছি। পছন্দ হলেই কিনব। বর্ষাকালে নৌকার বিকল্প নেই। দাম যাইহোক নৌকা কিনতে হবে। আর নৌকা তৈরির কারিগররা জানান বর্ষা মৌসুমে কাজ না থাকায়, নৌকা তৈরি করে বিক্রয় করে ভালোই আছেন তারা। নৌকা তৈরির কারিগররা জানালেন, বর্ষা মৌসুমে রেন্ডি, কড়াই, উড়িআম, চাম্বুল কাঠ দিয়ে নৌকা তৈরি করতে খরচ হয় ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাাজর ৫০০ টাকা। আর বিক্রয় হয় ২ হাজার ৮০০ থেকে তিন হাজার টাকা।

"