গুজব ছড়িয়ে চাকরিপ্রার্থীকে হয়রানির অভিযোগ

প্রকাশ : ০৯ আগস্ট ২০১৮, ০০:০০

বালিয়াডাঙ্গী (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ফেরদৌসি পারভীন নামে এক চাকরি প্রার্থীর বিরুদ্ধে মিথ্যা গুজব উঠেছে। তাকে অবৈধ প্রার্থী দেখিয়ে প্রার্থিতা বাতিলের জন্য বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ করা হয়। এ ছাড়াও গত ৬ আগস্ট সংবাদ সম্মেলনের করে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে।

জানা গেছে, গত ২০১৭ সালের ২৬ জুলাই ঠাকুরগাঁও জেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের সহকারী (মহিলা) পদে লোক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১ ও ৪ নম্বর প্রার্থীকে ঠাকুরগাঁও জেলার স্থায়ী বাসিন্দা, ২ নম্বর প্রার্থীকে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা ও ৩ নম্বর প্রার্থীকে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড/ইউনিটের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। আবেদনের ক্ষেত্রে প্রার্থীকে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নের দক্ষিণ দুয়ারী, জিয়াবাড়ী, করুয়া, ফতেপুর ও সোপড়া গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

বিধি মোতাবেক চাকরির জন্য ‘পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের সহকারী (মহিলা)’ পদে আবেদন করেন বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়পলাশবাড়ী ইউনিয়নের জিয়াবাড়ী গ্রামের নাজিম উদ্দীনের স্ত্রী ফেরদৌসি পারভীন। ইতোমধ্যে নিয়োগ কমিটির যাচাই-বাছাই শেষ করে প্রবেশপত্র প্রাপ্তিসহ লিখিত পরীক্ষা দেন তিনি। সেই লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৫ জনের তালিকায় তারও নাম রয়েছে। যার মৌখিক পরীক্ষা আগামী ১৪ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে গত ৬ আগস্ট উপজেলার করুয়া গ্রামের বাসিন্দা জিল্লুর রহমান সংবাদ সম্মেলন করে ফেরদৌসী আক্তারকে অবৈধ প্রার্থী হিসেবে দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনের সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর তদন্ত করার জন্য উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্র্তা মোশাররফ হোসেনকে নির্দেশ দেন জেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের উপ-পরিচালক সাইফুল ইসলাম।

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন বলেন, স্থানীয় লোকজন, চেয়ারম্যানের পরিচয়পত্রসহ সবকিছু যাচাই করে প্রার্থীর বৈধতা পাওয়া গেছে। গতকাল বুধবার বিকালে আমি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছি। ফেরদৌসি পারভীন বলেন, বিজ্ঞপ্তির নিয়ম মেনেই আমি চাকরির জন্য আবেদন করেছি এবং মেধা দিয়ে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি। আমার চাকরি পাওয়ায় জটিলতা সৃষ্টির জন্য কিছু মানুষ মিথ্যা অভিযোগ তুলেছেন।

"