উল্লাপাড়ায় নাগরৌহা সড়ক

চলে না কোনো যানবাহন কাদা মারিয়ে চলাচল

প্রকাশ : ০৭ আগস্ট ২০১৮, ০০:০০

সাহারুল হক সাচ্চু, উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ)

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় এলজিইডির নাগরৌহা সড়কটি বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বড়-ছোট গর্ত ও কাদায় ভরপুর এ সড়কে চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। কোনো বাহন নিয়ে চলাচল করা যায় না। অনেকেই বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে বিকল্পপথ ব্যবহার করছে। স্থানীয় প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস থেকে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা বাতিল করা হয়েছে বলে জানা যায়।

প্রকৌশল বিভাগ সূত্রে জানা যায়, উল্লাপাড়া সদর ইউনিয়নের নাগরৌহা বাজার থেকে পূর্ণিমাগাঁতী ইউনিয়নের ভেংড়ী স্কুল বাজার পর্যন্ত তিন হাজার ২০০ মিটার কাঁচা সড়ক স্থানীয় উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ (এলজিইডি) থেকে আইডিভুক্ত করা আছে। এ সড়কের কচুয়া নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণে প্রকল্প দেওয়া আছে। গত প্রায় তিন মাস আগে নাগরৌহা বাজারের পাকার মাথা থেকে বন্যাতলা ত্রিমোহনী পর্যন্ত প্রায় ১৬০০ ফুট সড়ক বিশেষ প্রকল্পে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলেও পরবর্তীতে তা বাতিল করে দেওয়া হয়েছে বলে তারা জানান। তারা আরো জানান, এর আগে উল্লাপাড়া সদরের বিশ্বরোড থেকে নাগরৌহা বাজার হয়ে চড়–ইমুড়ী বাজার পর্যন্ত তিন হাজার ৩০০ মিটার সড়ক এলজিইডি থেকে আইডিভুক্ত করা হয়। বিগত ২০১০ সালে সে আইডির বিশ্বরোড থেকে নাগরৌহা বাজার পর্যন্ত ১৮০০ মিটার সড়ক পথ পাকা হয়। স্থানীয়রা জানান, নাগরৌহা গ্রামের মধ্যেপাড়ায় প্রায় ৫০০ ফুট বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেশ কয়েক জায়গায় ভেঙে গেছে এবং বড়-ছোট গর্ত হয়েছে। এর পাশাপাশি কাদা জমেছে। প্রায় আড়াই শত পরিবারের লোকজনকে প্রতিনিয়ত একমাত্র এই সড়ক পথ হয়ে চলাচল করতে হয়। ফলে তাদের কাদা পেরিয়ে চলাচল করতে হয়। স্থানীয় সামছুল আলম, জয়নাল প্রামাণিকসহ আরো অনেকের বক্তব্যে বাড়িতে কোথাও আসা যাওয়ায় সড়কের হালদশার কথা মনে হতেই মনে ক্ষোভ আর কান্না আসে। তবুও উপায় না থাকায় চলতে হয়।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সড়কটির দুর্ভোগের অংশসহ প্রায় ১৬০০ ফুট মাপজোক করা হলেও পরে তা বাতিল করা হয়েছে। তবে কি কারণে বাতিল করা হয়েছে তা না জানিয়ে বলেন, পরবর্তীতে সংস্কারের চিন্তা ভাবনা আছে। উপজেলা প্রকৌশলী মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, যেহেতু এটি আইডিভুক্ত করা হয়েছে। অবশ্যই পাকাকরণ করা হবে। তবে তা বাস্তবায়নে সময় লাগবে। আপাত দুর্ভোগের অংশটুকু সংস্কারের বিষয়ে তিনি গুরুত্ব দেবেন।

ইউএনও মো. আরিফুজ্জামান বলেন, প্রকৌশল বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে দুর্ভোগের অবসানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ এবং বাস্তবায়নে জোরালো ভূমিকা রাখবেন।

"